
হবিগঞ্জের মাধবপুরে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মাধ্যমে সংগ্রহ করা মোবাইল ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর পরিবর্তন করে পুনরায় বাজারজাত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুজন টেলিকম অ্যান্ড সার্ভিসিং সেন্টারের মালিক তৈয়বুর রহমান শিপুলকে ঘিরে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, মাধবপুর বাজারের ইসলামিয়া মার্কেটের কয়েকটি মোবাইল সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চোরাই মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তনের কাজ চলছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, শিপুল প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫টি মোবাইলের আইএমইআই পরিবর্তন করেন। সংশ্লিষ্ট দোকানের কম্পিউটার, আইএমইআই প্রোগ্রামিং ডিভাইসসহ সরঞ্জাম পরীক্ষা করা হলে বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে বলে তারা মনে করছেন। বর্তমানে দোকান থেকে কম্পিউটারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তৈয়বুর রহমান শিপুল বলেন, “মাঝে মধ্যে আইএমইআই কাটি এবং বেশি সময় লক কাটার কাজ করি। মোবাইলের সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি বিক্রি করে আসছি।”
জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি এ.কে.এম. শামীম হাসান বলেন, গত ১২ জুলাই রাতে সায়হাম ফিউচার কমপ্লেক্সের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৬টি চোরাই মোবাইলসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কারও নাম প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, “মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ। চোরাই মোবাইল কেনাবেচা কিংবা আইএমইআই পরিবর্তনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দ.ক/হবি