1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
তবে কি গ্রেপ্তার হচ্ছেন হবিগঞ্জ ছাত্রদল সভাপতি? হবিগঞ্জে ডাকাতসহ গরু উদ্ধার, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন  বাহুবল কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে ছাত্রদলের ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইপড়া কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রম নিয়ে জরুরি নির্দেশনা মাধবপুরে পিআইও নূর মামুনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, বদলি স্থগিত নিয়েও প্রশ্ন কথা নয়, মানুষ চায় দৃশ্যমান উন্নয়ন: এমপি শাম্মি জাতীয় উশু প্রতিযোগিতায় চুনারুঘাটের আনাছের স্বর্ণপদক জয় হবিগঞ্জে অবরুদ্ধ নাসীরুদ্দীন ও সারজিস প্রটোকলে ঢাকার পথে অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া হবিগঞ্জ জেলা কারাগার! শায়েস্তাগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

হবিগঞ্জে ডাকাতসহ গরু উদ্ধার, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন 

Reporter Name
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

আব্দুর রাজ্জাক রাজুঃ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার সামনে গাড়ি বোঝাই গরু ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

(৩০ জুলাই) বৃহস্পতিবার সরেজমিন এ বিষয়ে অনুসন্ধান মুলক তদন্ত ও পর্যালোচনায় মুল ঘটনা বেরিয়ে আসে।
২৭ জুলাই দুপুরে রবিন নামে এক ডাকাত জনতার হাতে আটক হলেও ঐদিন রাতে আসামির নাম অজ্ঞাত রেখে মামলা করে পুলিশ। পরবর্তীতে গ্রেপ্তার দেখানো হয় ডাকাত রবিনকে।

ঘটনার সূত্রে জানা যায়,২৭ জুলাই রাতে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ৩৯৫-৩৯৭ ধারায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি ডাকাতির মামলা রুজ্জু করে।

২৭ জুলাই রাতে চুনারুঘাট থানা পুলিশ ও শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ চুনারুঘাট থানার মিরাশি ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের রিংকু রায় এর বাড়িতে যৌথ অভিযান করে ১১টি গরু সহ দুই নারীকে আটক করে। পরবর্তীতে এই দুই নারীকে পুলিশ মুসলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে পুলিশ কেনই বা দুই নারীকে আটক করল, আবার তাদেরকে মুছলেখা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। যাদের বাড়ি থেকে ডাকাতির গরু উদ্ধার হল তাদেরকে কেন পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিরাশি ইউনিয়নের রতনপুর এলাকার এক ব্যক্তি বলেন,মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ২ নারীকে মুছলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে এবং যাদের বাড়ি থেকে গরু উদ্ধার করা হয়েছে তাদেরকে আটক না করে তাদের সাথে পুলিশ আতাত করে মোটা অংকের টাকা নিয়েছে।

মিরাশি ইউনিয়নের রতনপুর নালমুখ এলাকার স্থানীয় মানুষ জানান, রিংকু রায় যদি গরু ব্যবসায়ী হয়ে থাকে তাহলে,তার বাড়ীতে প্রতিদিন ভোররাতে গরু নিয়ে আস কারা? গরু ব্যবসা তো ভোর রাতে বা সকালে হয় না!

শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন সদোত্তর না দিয়ে আইনের দোহাই দেন। আসামী গ্রেপ্তার থাকা সত্ত্বেও অজ্ঞাতনামা মামলা নেওয়া হলো কেন? এর বিষয়েও কোন উত্তর দিতে পারেননি তিনি। আবার দুই মহিলাকে আটক করে মুছলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্ন করা হলে তিনি এড়িয়ে যান।

হাইওয়ে থানার ওসি শুভ চাকমা কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার থানার ২০০ গজের মধ্য দুর্ধর্ষ একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটলো আপনি কি ব্যবস্থা নিলেন এবং জনতার হাতে ধৃত আসামী রবিন একজন পুলিশ সদস্য তাকে গাড়ী নিতে পাঠিয়েছেন বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সীমিত টহল ও একটি মাত্র গাড়ি, তাই একদিকে ডিউটিতে বের হলে,অন্য দিকে খবর রাখা যায় না। তার থানা পুলিশ জড়িত থাকলে তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

ডাকাতির ঘটনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শায়েস্তাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর নয়ন মনি দেব কে প্রশ্ন করা হলে,ডাকাতির ১১টি গরু উদ্ধার করা বাড়ির মালিক রিংকু রায় কে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না? তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে দায়সারা উত্তর দিয়ে ফোন কেটে দেন তিনি।

এর আগে গত ২৫ জুলাই শনিবার গভীর রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার সামনে থেকে ১৪টি গরু ও গরু বোঝাই একটি পিকআপের মালিককে হাত-পা বেঁধে প্রায় ২ লাখ টাকা ও ৬টি মোবাইল ফোন লুট করে নেয় ডাকাত দল।

২৭ জুলাই সোমবার দুপুরে তাকে সাতছড়ি এলাকায় গাড়িসহ আটক করার চেষ্টা করলে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে চুনারুঘাট শহরে পৌঁছালে স্থানীয় জনতা ডাকাত রবিন কে আটক করে।তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের নালমুখ এলাকার রতনপুর গ্রামের কুখ্যাত গরু চোর চক্রের মুল হোতা রিংকু রায় এর বাড়ি থেকে ১২টি গরু উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু রহস্যজনক কারণে রিংকু রায় কে ধরছে না পুলিশ।

দ.ক/এআরআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews