1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন

২১ বছর ধরে বন্ধ বাল্লা রেলপথ

Reporter Name
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

 

হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা-হবিগঞ্জ রেলপথ বন্ধ হয়ে আছে ২১ বছর। পরিত্যক্ত রেল পথটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে শায়েস্তাগঞ্জ জংশনের নাম।

রেলপথটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হওয়ার সাথে সাথে শায়েস্তাগঞ্জ জংশন নামটি মুছে গিয়ে স্টেশন লেখা হবে। তাই জশংনের ঐতিহ্য রক্ষায় দ্রুত এ রেলপথে পুনরায় ট্রেন চালুর দাবি স্থানীয়দের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯২৮ সালে ব্রিটিশ সরকার হবিগঞ্জ জেলা শহর থেকে শায়েস্তাগঞ্জ জংশন হয়ে বাল্লা সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৫২ কিলোমিটার রেল লাইন স্থাপন করে। সে সময় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ১৩টি বাগানের চা-পাতা রপ্তানি ও বাগানের রেশনসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমদানি করার একমাত্র মাধ্যম ছিল এ রেলপথ। স্বাধীনতার পর এ লাইনটি এরশাদ সরকারের প্রথম দিকে সর্বপ্রথম অঘোষিতভাবে বন্ধ হয়। পরে আবার চালু হয়। এরপর ১৯৯১ ও ১৯৯৬ এবং সর্বশেষ ২০০৩ সালে এ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

অঘোষিতভাবে বন্ধ হওয়ার পর থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল রেলের বিশাল সম্পদের দিকে নজর দেয়। পরে আবার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জ পর্যন্ত রেল লাইনটি উঠিয়ে বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হয়।

শুরু হয় শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেল লাইনের প্রায় ৩৬ কিলোমিটার সড়কের রেলের শিক, পাথর, সিগন্যাল, তার, নাটবল্টু ও ওজন মাপার যন্ত্রপাতি এবং ৭টি স্টেশনের অবকাঠামোসহ কোটি কোটি টাকার মালামাল লুটপাট। সেই থেকে এ পর্যন্ত ৯৮ ভাগ লুটপাট হয়েছে। লুটপাটকারীরা অনেকেই এখন বিলাসবহুল বাড়ি ও গাড়ির মালিক।

এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের উর্ধ্বতন উপ-প্রকৌশলী (পথ) সাইফুল্লাহ রিয়াদ বলেন, পরিত্যক্ত স্টেশন ঘরগুলো ঝরে ঝরে পড়ছে। এ পথ পুনরায় সংস্কার করে ট্রেন চালু হতে পারে। তবে এ ব্যাপারে ওপর থেকে কোন নির্দেশনা আসেনি। আর যদি ট্রেন চালু না হয় তবে শায়েস্তাগঞ্জ জংশন নাম পাল্টে স্টেশন হবে। কারণ জংশন থাকতে হলে ফাঁড়ি রেলপথ থাকতে হয়।

রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. হারুনুর রশিদ বলেন, পরিত্যক্ত এ রেলপথের এরিয়া শায়েস্তাগঞ্জ ও চুনারুঘাট উপজেলার প্রায় ৩৬ কিলোমিটার। বিশাল এ রেলপথে এখন চুরি হচ্ছে না। চুরি হলে প্রকৌশল বিভাগ থেকে অভিযোগ আসবে। অভিযোগ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ তৎপর আছে।

শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার মুশফিক উদ্দিন বলেন, রেলপথ আনুষ্ঠানিকভাবে উঠে গেলে (শায়েস্তাগঞ্জ) হবে স্টেশন। আর রেলপথ নামে থাকলেও কাজে নেই। এ পথের বাল্লা ট্রেন চলে অন্য পথে। ট্রেন চালুর ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি।

শায়েস্তাগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ গাজীউর রহমান ইমরান বলেন, রেলপথমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত শায়েস্তাগঞ্জে জনসভায় ঘোষণা দিয়েছিলেন এ রেলপথ আবারো চালু হবে। বাস্তবে এখনও চালু হয়নি। এ পথে ট্রেন চালু হলে হাজার হাজার মানুষের বিরাট উপকার হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রসার ঘটবে।

দ.ক.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews