1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ ছয়শ্রীর দূর্গোৎসব লাখাইয়ে কৃষি কর্মকর্তার উদ্যোগে প্রথমবারের মতো স্ট্রবেরি চাষ শুরু শারদীয় দুর্গোৎসবে সাংবাদিক নেতা নোমান মিয়ার শুভেচ্ছা আহম্মদাবাদে চীফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের পক্ষে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান  দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ড্রোন নজরদারি, মাঠে ৩৪ প্লাটুন বিজিবি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বর্ষা ও রামীমের কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য চুনারুঘাটে শারদীয় দুর্গাপূজায় প্রবাসী রাসেলের মহতী উদ্যোগ শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ মাধবপুরে সরকারবিরোধী লেখালেখির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার রাজার বাজার বাসীকে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কনক লাল ঘোষ রতন

অনুমোদন নেই, তবুও চলছে ছাতিয়াইন বাজারে আইসক্রিম উৎপাদন

মাধবপুর প্রতিনিধি 
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের ছাতিয়াইন বাজার হাসপাতাল রাস্তাসংলগ্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগ উঠেছে নিখিল পালের মালিকানাধীন একটি কারখানার বিরুদ্ধে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে আইসক্রিম উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কারখানাটিতে আইসক্রিম তৈরিতে অনিরাপদ পানি, কৃত্রিম রং ও অনুমোদনহীন মিষ্টিকারক ব্যবহারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। উৎপাদিত আইসক্রিম বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নাম ও লোগো ব্যবহার করে বাজারজাত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতা এফ জামান ফখরুল বলেন, খাবারে ব্যবহারের অনুপযোগী শিল্পকারখানার রাসায়নিক রং ব্যবহার করা হলে তা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
তাই আইসক্রিম কারখানায় ব্যবহৃত পানি ও উপকরণ পরীক্ষা এবং উৎপাদন পরিবেশ সরেজমিনে পরিদর্শন করা প্রয়োজন।

উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মাহাবুব রহমান বলেন, “কারখানাটির বৈধ কাগজপত্র আছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরুল হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাদ্য শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ ধরনের খাদ্য গ্রহণে ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি রয়েছে। তাই খাদ্যপণ্যের উপকরণ ও উৎপাদন পরিবেশ পরীক্ষা করা জরুরি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, “বিষয়টি জানা হয়েছে। অভিযোগটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুমোদন ছাড়া বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কারখানার মালিক নিখিল পাল বলেন, “আইসক্রিম কারখানা চালাতে আমার কোনো অনুমোদন লাগে না। আমি প্রশাসন ম্যানেজ করে ব্যবসা করি।”
মালিকের এমন বক্তব্য ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, কারখানাটির বৈধ কাগজপত্র, খাদ্য উৎপাদনের অনুমোদন, ব্যবহৃত পানি ও উপকরণের মান এবং ব্র্যান্ডের নাম-লোগো ব্যবহারের বৈধতা দ্রুত যাচাই করা হোক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি শুধু আশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কারখানার উৎপাদন উপকরণ ও প্রস্তুতকৃত আইসক্রিমের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দ.ক.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews