
হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান শেষ হলেও তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদনের তথ্য মেলেনি। সম্মাননা নির্বাচন ও প্রদান-সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে আবেদন করেও জবাব না পাওয়ায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বরাবর আপিল করেছেন লেখক, নাট্যকর্মী ও প্রভাষক হাবিব খোকন।
হাবিব খোকন অভিযোগ করেন, সম্মাননা নির্বাচন ও প্রদান-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য চেয়ে গত ২৩ জুলাই জেলা শিল্পকলা একাডেমি, হবিগঞ্জের কাছে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায় আবেদন করেন। আবেদনে সম্মাননা নির্বাচনের প্রক্রিয়া, যাচাই-বাছাই, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের পাশাপাশি একাডেমির হলরুমের সরঞ্জাম ও মেরামতসংক্রান্ত কিছু তথ্যও চাওয়া হয়।
তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও কোনো তথ্য বা লিখিত জবাব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তের কাছে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ায় তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর ২৪ ধারার অধীনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বরাবর আপিল করা হয়।
এরই মধ্যে গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। অর্থাৎ তথ্য অধিকার আইনে চাওয়া তথ্য পাওয়ার আগেই সম্মাননা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
হাবিব খোকন বলেন, “সম্মাননা অনুষ্ঠান হয়ে গেছে, কিন্তু আমি এখনো চাওয়া তথ্য পাইনি। নির্বাচন কীভাবে হলো, কী মানদণ্ডে প্রার্থী বাছাই করা হলো এবং সিদ্ধান্তের পেছনে কী নথি রয়েছে, এসব জানতেই তথ্য চেয়েছিলাম। তথ্য না পাওয়ায় এখন আপিল করতে হয়েছে। এখন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কাছে আমার আপিলের নিষ্পত্তি এবং চাওয়া তথ্য পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যেহেতু জেলা শিল্পকলা একাডেমি হবিগঞ্জ এর কালচারাল অফিসার তথ্য প্রদান করতে পারেনি, সেক্ষেত্রে এখানে অসচ্ছতার প্রশ্নটি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠে বলে আমি মনে করি।
দ.ক.২৬