
‘Literacy for People, the Planet and Prosperity’ ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক যুগে সারাদেশে সকাল থেকে সকল উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়।
এ দিবসের মুল আলোচনা ছিলো, স্কুল থেকে পিছিয়ে পড়া ও ঝরে পড়া শিশুদের চিহ্নিত করে তাদের আবার বিদ্যালয়মুখী করতে হবে। কোনো শিশু যেন অর্থনৈতিক, পারিবারিক কিংবা সামাজিক কারণে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
একটি শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো শিক্ষা। তাই কোনো শিশুকে বিদ্যালয়ের বাইরে রাখা যাবে না। শিক্ষার বাইরে থাকা শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষক, সাংবাদিক, স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শুধু বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোই যথেষ্ট নয়; শিশুদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করাও জরুরি। ঝরে পড়ার কারণগুলো চিহ্নিত করে পরিবার, শিক্ষক, প্রশাসন ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে।
একটি শিক্ষিত সমাজই পারে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তুলতে। তাই শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করার পাশাপাশি ঝরে পড়া রোধে পরিবার ও সমাজের সবাইকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
দ.ক/২৬