1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটে চেক মামলায় ভিখারি গ্রেফতার; নেপথ্যে দালাল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চুনারুঘাট পৌর শাখার নতুন কমিটি গঠন মাধবপুরে ৩১তম হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ চুনারুঘাটে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটের সাটিয়াজুরীতে সারের ডিলার বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন। হবিগঞ্জে সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপে ৫৫ বিজিবির নিরাপত্তাবলয়  দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে হবিগঞ্জের কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তকে বদলি যুক্তরাষ্ট্রে ১১ দিনের ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃত্যু, শোকের মাতম চুনারুঘাটে আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা দখল করে বসতঘর নির্মাণ চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের পূজার বরাদ্দ ও শাড়ি বিতরণ

মা-মেয়ের সংগ্রামে লেখা মুক্তিযুদ্ধের এক অন্তরালের গল্প

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

একাত্তরে নববধূ আবিরন বেওয়ার স্বামী হোসেন মুক্তিযুদ্ধে গেছেন, এই খবর পেয়ে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায় পাকিস্তানি সেনারা। এসময় বাড়ি থেকে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে সেনাদের হাতে ধরা পড়েন আবিরন। তাঁকে ধরে কয়েকজন মিলে ধ/র্ষ/ণ করে ফেলে রেখে যায় তারা।

এরপর আবিরনের জীবনে নেমে আসে আরেক দুঃসহ অধ্যায়। তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে আর বাড়িতে আশ্রয় দেননি। বাধ্য হয়ে বাবার বাড়িতে ফিরে যান তিনি। সেখানে মা কাছিরন (বাতাসি) বেওয়া মেয়েকে আশ্রয় দেন। কিন্তু মেয়েকে আশ্রয় দেওয়ার এই অপরাধে আবিরনের বাবা আজিমুদ্দিন তাঁর মা কাছিরনকে তালাক দেন।

এরপর কাছিরন বেওয়া মেয়েকে নিয়ে নিজের বাবা ইউসুফের বাড়িতে ওঠেন। কিন্তু সেখানেও মা-মেয়ের আশ্রয় হয়নি। সে সময় আবিরনের নানি কাচুয়ানী তাঁদের নিজের কাছে রাখতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত অন্যের বাড়ির পাশে ঝুপড়ি তুলে সেখানে বসবাস করতে থাকেন মা-মেয়ে।

পরে কাছিরন বেওয়ার বাবা মারা গেলে এবং আবিরনের নানার কোনো ছেলে সন্তান না থাকায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে তাঁরা সেই বাড়িতে আশ্রয় পান। এভাবেই জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আবিরন বেওয়া তাঁর জীবনের গল্প বলে আসছেন।

এখনও নিঃসন্তান আবিরন বেওয়া তাঁর মা কাছিরন বেওয়ার সঙ্গেই আছেন।

এমন যার জীবনের ট্রাজেডি, শুনেছিলাম সেই আমিরনের নাকি মুক্তিযোদ্ধার সনদ হয়নি!

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের কালে গ্রামে তাঁদের বাড়ি। আবিরনের স্বামীর বাড়ি ছিল রাজারহাট উপজেলার ফরকেরহাটে। তাঁর বাবার বাড়ি ছিল মুক্তারাম এবং নানার বাড়ি কালে। শুনেছি বর্তমানে মায়ের সঙ্গে কালে গ্রামেই থাকছেন তিনি।

একসময় কাছিরন বেওয়া জীর্ণ একটি ভাঙা টিনের ঝুপড়িতে থাকতেন। বছর কয়েক আগে জাপানপ্রবাসীদের সহায়তায় তাঁকে একটি ছোট্ট টিনের ঘর দেওয়া হয়। ঘর পাওয়ার পর কাছিরন বলেছিলেন, “এখন তো আমার মরার সময়, ঘর দিয়া আমার আর কি হবে?”

নোট: ছবিতে বামে আবিরন বেওয়া এবং ডানে তাঁর মা কাছিরন বেওয়া।

আলোকচিত্রী: মোস্তফা হোসেইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews