1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ট জনজীবন, হাসপাতালে বাড়ছে দুর্ভোগ, বিপাকে পোল্টি খামারি সিলেটে একই বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার রাজার বাজার স্কুল থেকে জিপিএ-৫, শিক্ষক দম্পতির মেয়ে সুকন্যার কৃতিত্ব চুনারুঘাটে প্রতিনিয়ত লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে গ্রাহক মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব—তবু কখনো কেন পশুকেও হার মানায়? হযরত শাহ আজম রহ এর ৪৬তম উরুসে আউলিয়া ও ঈসালে সাওয়াব মাহফিল ১৩ আগষ্ট চুনারুঘাটে বহিস্কৃত জামায়াত নেতা সাজলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দাবি, মৌলভী চা বাগানে কর্মবিরতি চুনারুঘাটে চা-বাগানে বাড়ছে যক্ষ্মা, হাসপাতালে ওষুধ সংকট

চুনারুঘাটে বহিস্কৃত জামায়াত নেতা সাজলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

প্রতিবন্ধির স্ত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি মো. নূরুল ইসলাম সাজলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল হাই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ওই নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা বিভাগকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত নূরুল ইসলাম সাজল চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের জারুলিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার মিয়ার ছেলে। তিনি ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ছিলেন এবং জারুলিয়া বাজারের সাজল মেডিসিন কর্ণারের সত্বাধিকারী।

মামলার এজাহারে বাদী শিফা আক্তার অভিযোগ করেন, আসামী জারুলিয়া বাজারের ফার্মেসী ব্যবসায়ী ও ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমীর নূরুল ইসলাম সাজল ও আমি একই এলাকার বাসিন্দা। প্রতিবন্ধি স্বামী ও সন্তানের জন্য আমি ঔষধ কিনার জন্য তার ফার্মেসীতে যেতাম। সেই সুবাদে সাজল আমাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিত। বিষয়টি বাড়ির মুরুব্বিদেরকে জানালে তারা বারন করা স্বত্বেও সে আমাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল। আমি তার এমন কুপ্রস্তাবে রাজী না হয়ে এড়িয়ে চলতাম।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট রাতে অনুমান ১২.০০ ঘটিকার সময় বিদ্যুত না থাকায় অতিরিক্ত গরমের কারনে শিফা বসত ঘরের শোয়ার রুমের জানালা খুলে ঘুমিয়ে পড়লে কৌশলে জানালা দিয়ে প্রবেশ করে শিফাকে ঝাপটে ধরেন এবং শিফার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। এই সময় শিফা শোর চিৎকার করিলে বাড়ির ও আশপাশের বাড়ি ঘর থেকে মানুষজন এগিয়ে আসলে নুরুল ইসলাম সাজল হাতেনাতে ধৃত হন। এ সময় সাজল তার মোবাইল ফোন দিয়ে ২নং আসামী মিজান মিয়াকে কল দিলে মিজান মিয়া অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০জন লোক নিয়ে এসে সাজলকে শিফার বাড়ির লোকজনের নিকট থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

মামলায় আরও বলা হয়, উক্ত বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হইলে দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা সহ সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। পরবর্তীতে সাজল ও তার সহযোগী মিজান শিফা এবং শিফার পরিবারের সদস্যদেরকে উক্ত ব্যাপারে বিচার সালিশ কিংবা মামলা মোকদ্দমা না করতে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। এমতাবস্থায় শিফা চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়েরের জন্য গেলে চুনারুঘাট থানা পুলিশ শিফাকে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করতে পরামর্শ দেন। তৎপর শিফা তার আত্মীয় স্বজনের সহিত পরামর্শ করিয়া অত্র মামলা দায়ের করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল হাই বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে সিআইডিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা জামায়াতের আমির মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চুনারুঘাট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর এক জরুরি সাংগঠনিক সভায় নুরুল ইসলাম সাজলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews