1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মাধবপুর ইউএনও অফিসের কর্মচারী ফরিদ মিয়ার বিরুদ্ধে চাচীকে মারধরের অভিযোগ এ মাসেই বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, বন্যার আভাস আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬: ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই মাদক নিয়ন্ত্রণে বিজিবি এবং নতুন আইনি ভিত্তি হৃদয়ে বাংলাদেশ: হৃদয়ের অঙ্গীকার, চেতনার প্রতিজ্ঞা  সাতছড়ি ও রামগঙ্গায় পর্যটকদের ফেলে যাওয়া বর্জ্য-দূষণে হুমকির মুখে পরিবেশ চুনারুঘাটে দূর্নীতিবাজ ডেপুটি রেঞ্জার আশিকের এলাকায় বসবাস নিয়ে ক্ষোভ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৯ সাতছড়ি বনে পদ্ম গোখরা ও দাঁড়াশ সাপ অবমুক্ত করেন ইউএনও গালিব চৌধুরী  চুনারুঘাটে গাজীপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজে “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপন ও বিতর্ক

মাধবপুর ইউএনও অফিসের কর্মচারী ফরিদ মিয়ার বিরুদ্ধে চাচীকে মারধরের অভিযোগ

চুনারুঘাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অফিসের অধিনস্থ একজন সরকারি কর্মচারী ফরিদ মিয়া। অভিযোগ উঠেছে, ফরিদ মিয়া ইউএনও অফিসের কর্মচারী হিসাবে চাকুরীর প্রভাব কাটিয়ে নিজ বাড়ীতে এসে সাধারন মানুষের সাথে ঝগড়া বিবাদ করা তার নিত্য নৈমিত্তিক স্বভাবগত আচরন।

অভিযুক্ত ফরিদ মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আলী রাজাপুর গ্রামের মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে। তার আচার আচরণ খুবই জঘন্য এবং সে একজন দূষ্কৃতিকারী ব্যক্তি হিসাবে মামলায় উল্লেখ।

মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন শুক্রবার বিকালে ফরিদ মিয়া পারিবারিক ঝগড়াকে কেন্দ্র করে আপন চাচা জিতু মিয়ার স্ত্রী মাজেদা খাতুনকে স্বামীর অবর্তমানে ঘরে ঢুকে বেধড়ক মারপিট করেন। এতে তিনি আহত হলে স্থানীয় চিকিৎসালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা নেন।

ঘটনার সময় আহত মাজেদা খাতুনের স্বামী জিতু মিয়া স্থানীয় বাজারে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে দৌড়ে বাড়িতে গেলে তিনিও ফরিদ মিয়ার রোষানলের শিকার হন। এভাবে প্রায় সময়ই ফরিদ মিয়ার অত্যাচারের শিকার হয়ে আসছেন জিতু মিয়া ও তার পরিবার।

পরবর্তিতে জিতু মিয়া বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য হিতৈষী মুরুব্বীদের দ্বারস্থ্য হইয়া অভিযুক্ত ফরিদ মিয়ার কর্মকান্ডের কথা জানালে তাহারা স্থানীয় চেয়ারম্যান সাহেবের মাধ্যমে গ্রাম্য মুরুব্বিরা শালিস বিচারের আশ্বাস দিলেও কোন বিচার পাননি জিতু মিয়া। কারণ ফরিদ মিয়া চেয়ারম্যান ও মুরুব্বীদের অগ্রাহ্য করেন! এতে জিতু মিয়া সুবিচার না পেয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কগ-০২ আদালত, হবিগঞ্জে ৪৪৮/৩২৩/৩০৭/৩৮০/৩৫৪/ ৫০৬(২)/১১৪৩৪ ধারায় মামলা করতে বাধ্য হন বলে জানান।

স্থানীয় মুরব্বিরা জানান, ফরিদ মিয়া মাধবপুর ইউএনও অফিসের কর্মচারী বলিয়া সে চাকুরীর প্রভাব দেখিয়ে আমাদেরকে অগ্রাহ্য করিয়াছে। তার এহেন আচরণ সম্পর্কে উপজেলা কর্মকর্তাকে অবহিত করা উচিত বলে তারা জানান।

এই মর্মে- জিতু মিয়া তার জ্ঞান মতে নিজ ইজ্জত সম্মান ও প্রাণের ভয়ে ফরিদ মিয়ার অন্যায় অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ পেতে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সূদৃষ্টি প্রত্যাশা করছেন।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews