সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বাহুবলে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে জকিগঞ্জের যুবকের মৃত্যু হবিগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমির সামনে দোকান বসিয়ে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ বিকাশ পালের বিরুদ্ধে বাহুবলে ১০৩ সরকারি স্কুলে শূন্য বৃত্তি: শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নজরদারি কোথায়? বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের বিরোদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স দখলের অভিযোগ বানিয়াচংয়ে দোয়াখানী সড়কে ভাঙন : সংস্কারের দাবি প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী বাল্লা সীমান্তে ভারতীয় মদসহ দুই চোরাকারবারি আটক, সিএনজি জব্দ মাদকমুক্ত হবিগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা কোটি টাকার সেতু, বেহাল সংযোগ সড়ক, দুর্ঘটনার শঙ্কায় চুনারুঘাটবাসী বছরের জঞ্ঝাল ঘোচাতে কিছুটা সময় লাগবে- হুইপ জি কে গউছ

হবিগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমির সামনে দোকান বসিয়ে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ বিকাশ পালের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে দোকান বসিয়ে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে শিল্পকলার অফিস সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর বিকাশ পালের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, জেলা শিল্পকলা একাডেমির গেট ও বাউন্ডারি ঘেঁষে চারটি স্থায়ী এবং আরও দুটি ভ্রাম্যমাণ দোকান প্রতিদিন বসছে। এতে শিল্পকলা একাডেমির আশপাশের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

দোকানদারদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। বাধ্য হয়ে এই অফিসের একজন স্যারকে ম্যানেজ করে এখানে দোকান বসিয়েছি। প্রতি মাসে স্যারের একজন লোক এসে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যান।”

অনুসন্ধানে জানা যায়, দোকান ভাড়া দিয়ে ‘মাশুরা খাওয়া’ বিকাশ পাল চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, তাঁর পরিবারের সদস্যরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় দুর্নীতির দায়ে বর্তমানে কারাগারে থাকা সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুব আলীর পিএস বেলাল আহমেদকে ম্যানেজ করে তিনি শিল্পকলা একাডেমির চাকরি বাগিয়ে নেন। চাকরিতে বিনিয়োগ করা টাকা ওঠানোর জন্য তিনি নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে চাকরিরত অবস্থায়ও নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। পরে তাঁকে পটুয়াখালীতে বদলি করা হলে, আবারও এক আওয়ামী লীগ নেতার মাধ্যমে নিজ জেলা হবিগঞ্জে বদলি হয়ে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এখানেও গত চার-পাঁচ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি তাঁর সহধর্মিণীর জন্যও বিশেষ কোটায় সরকারি চাকরি বাগিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্ত বলেন, “আমি সবে এখানে যোগদান করেছি। এখানকার সবকিছু আমার জানা নেই। এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে বিকাশ পাল বলেন, “আমি কিছুই জানি না। আমাদের স্টাফ স্বপন হরি শিল্পকলার গেটে আমার স্যারের অনুমতি নিয়ে একটি দোকান দিয়েছেন। এর বাইরে আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

দ.ক.সিআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized By BreakingNews