
চুনারুঘাট উপজেলার বগাডুবি গ্রামের আব্দুর রহিম মিয়ার ছোট ছেলে জামিল (২৬) এলাকার অত্যন্ত নম্র, ভদ্র এবং ভালো একটি ছেলে। আশপাশের কারও সাথেই কোনোদিন তার কোনো ঝগড়াঝাটি বা ঝামেলা সৃষ্টি হয়নি। জামিলের কৃষক পিতা রহিম মিয়াও শান্ত স্বভাবের সরল প্রকৃতির একজন মানুষ। মোটকথা জামিলদের পুরো পরিবারটাই নিরিহ প্রকৃতির। ভীতু মনে হলেও সরল মানুষ, দায় দরবারে ভয় পান। যেকারণে গত (৩ জুলাই) শুক্রবার বিকেলে একি গ্রামের মৃত আঃ সালাম মিয়ার ছেলে মিজান মিয়া (৩২) এর বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়ে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।
জানাযায়, সম্প্রতি মিজান মিয়ার অনুপস্থিতে তার বসত ঘরটিতে কে বা কারা চুরি করে জমির প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া হয়। বলে রাখা ভালো- সংসার জীবনে মিজান মিয়া পিতা মাতাহীন এতিম, অজ্ঞাত কারণে স্ত্রীও সংসারে আসার আগেই সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। যেকারণে মিজানের ঘরটি তার অনুপস্থিতে দেখ বালেরও কেও নেই!
সূত্র জানায়- মিজানের সাথে জামিলের সখ্যতা ছিলো, জামিল মিজানের কাছে মাঝে মধ্যে তাবিজ নিতে আসা যাওয়া করছে। ওই সুবাধে মিজানের সন্দেহ তার ঘর থেকে চুরি হওয়া দলিলপত্র এবং অনেকগুলো কিতাবের বই চুরিতে জামিলের যোগসাজ আছে। এমন একটি সন্দেহমূলক তর্ক থেকে মিজান উত্তেজিত হয়ে রাস্তা থেকে দৌড়ে বগাডুবি ঈদগাহের বিপরীত দিকের বাড়িতে ঢুকেই পেয়ে যায় বড় গাছের ঢালের একটি মুগুর, সেটা দিয়ে স্বজোড়ে মাথায় আঘাত করতেই মাটিতে লুটেপড়ে জামিল।
তখন জামিলের পরিবার খবর পেয়ে জামিলকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান শেষে রুগিকে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে বা সিলেট ওসমানীতে রেফার করেন।
জামিলের বাবা রহিম মিয়া ডাক্তারের পরার্মশে পরে ছেলেকে হবিগঞ্জ সদরের পরামর্শে সিলেট ওসমানি মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে সেখানেই চিকিৎসার জন্য অবস্থান করছেন।
স্থানীয়রা জানান, একটি নিরীহ ও ভালো ছেলের ওপর এমন নির্মম হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রতিবেশী একজন বলেন, টাকার গরম বা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে পার পাওয়ার দিন শেষ। প্রশাসনের কাছে জোর দাবি হামলাকারী মিজানকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।
এ ঘটনায় বগাডুবি গ্রামের প্রত্যেকেই মিজানের উর্বপ নন