1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার চুনারুঘাট মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজে ওরিয়েন্টেশন ক্লাস ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‎বাহুবলে সরকারি রাস্তার উপর ঘরের সিঁড়ি, ইউপি সদস্যের নিরবতায় স্থানীয়দের ক্ষোভ গাজীপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত এক ভাই আ.লীগ, এক ভাই বিএনপি, অপর ভাই মাদক কারবারি: একসঙ্গে তিন ভাইকে ঘিরে জমি দখল ও মাদকের অভিযোগে বাহুবলে চাঞ্চল্য বাড়ীর রাস্তা নিয়ে বিরোধ, কোর্টে যাওয়ার পথে নিরপরাধ পরিবারকে ‘ইয়াবা নাটক’ সাজিয়ে গ্রেপ্তার: অপকর্মের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ জনতা মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় বিএনপি নেতা হাজী অলিউল্লাহ চুনারুঘাটে স্কুল ছাত্র নিখোঁজ বাহুবলে ৯টি পরিবারের ঘরবাড়ি ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ: নেপথ্যে আমির আলী গং

মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় বিএনপি নেতা হাজী অলিউল্লাহ

চুনারুঘাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অশ্রুসিক্ত বিদায়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হাজী মো. অলিউল্লাহ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মাধবপুরের হোটেল হাইওয়ে ইন মাঠে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে হাড়িয়া গ্রামে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।

জানাজায় হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, রাজনৈতিক সহকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ এলাকার হাজারো মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে উপস্থিত মানুষ মরহুম হাজী অলিউল্লাহর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে একটি শোকাবহ পরিবেশে তাঁর মরদেহ হাড়িয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।

জানাজায় অংশ নেওয়া অনেকেই হাজী অলিউল্লাহর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, হাজী অলিউল্লাহ বিএনপির একজন একনিষ্ঠ ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, অলিউল্লাহ ছিলেন সৎ, কর্মঠ ও ধৈর্যশীল একজন মানুষ। মানুষের সেবাকে তিনি সবসময় গুরুত্ব দিতেন। তাঁর ব্যক্তিজীবনে কোনো চাহিদা ছিল না; অত্যন্ত সহজ-সরল জীবনযাপন করতেন।

সৈয়দ মো. ফয়সল আরও বলেন, হাজী অলিউল্লাহর মধ্যে কোনো হিংসা-বিদ্বেষ ছিল না। মানুষের প্রতি তাঁর ছিল আন্তরিকতা ও পরোপকারী মনোভাব। রাজনৈতিক সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক সহকর্মীর মৃত্যু দলের জন্য বড় শূন্যতা তৈরি করেছে।

জানাজা ও দাফন শেষে পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান উপস্থিত রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews