1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
তবে কি গ্রেপ্তার হচ্ছেন হবিগঞ্জ ছাত্রদল সভাপতি? হবিগঞ্জে ডাকাতসহ গরু উদ্ধার, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন  বাহুবল কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে ছাত্রদলের ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইপড়া কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রম নিয়ে জরুরি নির্দেশনা মাধবপুরে পিআইও নূর মামুনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, বদলি স্থগিত নিয়েও প্রশ্ন কথা নয়, মানুষ চায় দৃশ্যমান উন্নয়ন: এমপি শাম্মি জাতীয় উশু প্রতিযোগিতায় চুনারুঘাটের আনাছের স্বর্ণপদক জয় হবিগঞ্জে অবরুদ্ধ নাসীরুদ্দীন ও সারজিস প্রটোকলে ঢাকার পথে অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া হবিগঞ্জ জেলা কারাগার! শায়েস্তাগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

তবে কি গ্রেপ্তার হচ্ছেন হবিগঞ্জ ছাত্রদল সভাপতি?

Reporter Name
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলা এফআইআরভুক্ত হয়েছে।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুর রহমান বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ছাত্রদল সভাপতিকে প্রধান আসামি করে মঙ্গলবার রাতেই মামলাটি এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের সহায়তায় তারা মৌলভীবাজারে ফিরে যান।

হামলার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করে সেদিনের কর্মসূচি স্থগিত করে এনসিপি। পরদিন বুধবার হামলার প্রতিবাদে আবারও হবিগঞ্জে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। একই দিনে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।

এ অবস্থায় বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জে প্রবেশের সময় জেলার সীমান্তবর্তী বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া এলাকায় এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের নেতৃত্বে কয়েক শ পুলিশ সদস্য সেখানে অবস্থান নেন। রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যারিকেড অপসারণকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনার পর সমঝোতা হয়।

এ সময় দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উপমুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনাস্থলের পাশেই কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের কাছে হাতে লেখা এজাহার জমা দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। বাদী হয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের।

এজাহারে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন ও হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ভাষ্য, হামলাকারীরা ক্যামেরা, ল্যাপটপসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি এবং গাড়িতে থাকা ৫ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। এ ছাড়া প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি ভাঙ্গচোর করা হয়েছে।

হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করে সারজিস আলম দাবি করেন, হামলায় একজন কর্মীর একটি চোখ নষ্ট হয়েছে, জেলা এনসিপির নেতা মুবিনের হাত ভেঙে গেছে এবং তিনি নিজেও আঙুলে আঘাত পেয়েছেন।
মামলার প্রতিক্রিয়ায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন জানান, জুলাই আন্দোলনসহ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অসংখ্য মামলার প্রধান আসামি হয়েছি। কিন্তু গতকালের ঘটনায় আমি বা আমার সংগঠন জড়িত না থাকা সত্ত্বেও আমাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমি এর তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই। পাশাপাশি বলতে চাই, এনসিপির নেতৃবৃন্দ ও শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের মধ্যে আর কোনো তফাৎ রইল না।’

এদিকে, মামলাটি এফআইআরভুক্ত হওয়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন প্রধান আসামি হওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য না করলেও সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুর রহমান জানিয়েছেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

দ.ক.সিআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews