
চুনারুঘাট প্রতিনিধি: চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়ন তাঁতীলীগের সভাপতি জামাল মিয়ার বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
জানাযায়, গত ৫ জুলাই সন্ধ্যার পর চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের তাঁতীলীগ সভাপতি জামাল মেম্বারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী, মিরাশি ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলমের স্থানীয় নালমুখ বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
হামলাকারীদের মধ্যে রয়েছে আলমগীর মিয়া (৩০) সহ আরও ৫/৬ জন।
বিএনপি নেতা রফিকুল আলম অভিযোগে উল্লেখ করেন, তাঁতীলীগ নেতা জামাল মিয়া বর্তমান মেম্বার হিসেবে এলাকায় দাপট দেখিয়ে চলাফেরা করেন এবং তার বিরুদ্ধে শায়াস্তাগঞ্জে ৫ই আগষ্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জিআরনং- ১৮৯/২০২৪ ইং মামলা চলমান।
উক্ত মামলায় বিবাদী জামাল মিয়া জেল হাজতে ছিলেন। বর্তমানে জামিনে আছেন। সে এলাকার জনসাধারানের কোনো কথা শোনেনা এবং মানেনা। গায়ের জোরে যখন যাহা খুশী তাহাই করিয়া বেড়ায়। জামাল মিয়া ও আমি একই ইউপির বাসিন্দা। আমাদের বসত বাড়ী সংলগ্ন পূর্ব দিকে নাল মুখ হইতে আদমপুর পর্যন্ত এলজিডির রাস্তা রহিয়াছে। উক্ত রাস্তার সংস্কার কাজ চলিতেছে। তাঁতী লীগ নেতা জামাল মিয়াকে আমি আমাদের বসত বাড়ী সংলগ্ন পূর্ব দিকে রাস্তায় নালা রাখিয়া রাস্তার সংস্কার কাজ করার জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ হইতে জানাই কিন্তু জামাল আমার ও এলাকাবাসীর কথা তোয়াক্কা না করে রাস্তার সংস্কার কাজ চালাইতে থাকে। বৃষ্টি হলে আমাদের পাশের গোবিন্দপুরের পানি আমার বাড়ীর পূর্ব দিকে জমে আমার পুকুর ডুবিয়া যায় এমনকি আমার বাড়ীতে পানি উঠার উপক্রম হয়। ঘটনার কিছু সময় পূর্বে বিবাদী জামাল মিয়াকে আমি পূনরায় উক্ত রাস্তার নালা রাখিয়া সংস্কার কাজ করার জন্য বলিলে তাহার সহিত আমার কথা কাটাকাটি ও তর্ক বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে জামাল মিয়া আমাকে হুমকি দিয়ে উঠে। স্বাক্ষী আমার ভাই মোঃ শামসুজ্জামান সেলিমের নালমুখ বাজারে আমিরিয়া মসলা ঘর নামে মুদি মালের দোকান আছে। সেলিম ঘটনার তারিখে দোকান পরিচালনা করা কালে উল্লেখিত ঘটনার তারিখ ও সময়ে অর্থাৎ ০৫ জুলাই সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘটিকার সময় উল্লেখিত বিবাদীদ্বয় সহ তাহাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন বিবাদীকে নিয়ে দেশীয় প্রাননাশক অস্ত্রশস্ত্র নিয়া আসিয়া অন্যায়ভাবে আমার ভাই সেলিম মিয়ার দোকানে প্রবেশ করিয়া পূর্ব আক্রোশের জের ধরিয়া আমার ভাই সেলিম মিয়াকে গালিগালাজ করিয়া মারার জন্য আক্রমন করে।
বিবাদী মোঃ জামাল মিয়ার হুকুমে ২নং বিবাদী আলমগীর মিয়া তাহার হাতে থাকা চোরা দিয়া বুক লক্ষ করিয়া ঘাই মারিলে আমার ভাই সেলিম সরিয়া পড়ায় উক্ত ঘাই লক্ষ ভ্রষ্ট হয়। সাথে সাথে বিবাদী আলমগীর তাহার হাতে থাকা চোরা দিয়া ঘাই মারিয়া সেলিমের বাম হাতের কনুইর নিচে ও কবজির উপরে ছিদ্রযুক্ত রক্তাক্ত জখম করে। ০১নং বিবাদী জামাল মিয়া তাহার হাতে থাকা দায়ের উল্টোপিঠ গড়ি দিয়ে আমার ভাই সেলিমের মাথা লক্ষ করিয়া আঘাত করিলে আমার ভাই তাহারা ডান হাত দ্বারা ফিরাইলে উক্ত আঘাত সেলিম মিয়ার ডান হাতের কবজির নিচে পড়িয়া চেছাফুলা ও ফাঁটা রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়। আমার ভাই জখমী অবস্থায় পড়িয়া গেলে অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা লাঠি লোহাররড দিয়া উপর্যপুরী বাইরাইয়া আমার ভাই সেলিম মিয়ার পিঠে, পেঠে, কোমড়সহ শরীরের অসংখ্য স্থানে লীলাফুলা ও তেথলানো জখম করে। এবং নেতা জামাল বিএনপি নেতা রফিকুল আলমের ভাই সেলিম মিয়ার দোকানের ক্যাশ বাক্সে থাকা রক্ষিত ২,৫০,০০০/= (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা জোরপূর্বক নিয়া যায়।
দ.ক/এ.জেড