1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ধর্ম পালনে মানুষের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতা- আসাদ ঠাকুর মাধবপুরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে শিমের আবাদ চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন, ট্রাক্টরসহ আটক ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা জয়ের আশায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন আহম্মদাবাদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আউয়াল চুনারুঘাটের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক  চুনারুঘাটে দুর্গাপূজার নবমীতে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন জসিম উদ্দিন চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফারহানা-আওলাদের পরকিয়ায় বাধা দেওয়ায় এক নারী হামলার শিকার; থানায় অভিযোগ  হবিগঞ্জে সীমান্তসংলগ্ন ৬৪ পূজামণ্ডপে ৫৫ বিজিবির বিশেষ নিরাপত্তা চুনারুঘাটে ছুটির দিনেও যানজট নিরসনে মাঠে সক্রিয় পৌরকর্মকর্তা

শরীফপুর গ্রামের মানুষের দুঃখ দুর্ভোগ একটি সড়ক

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫

➖

চুনারুঘাট প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের মাটির রাস্তায় বৃষ্টির ফলে সামান্য চলাফেরায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ৩০ বছর যাবত চলাচলের প্রায় অযোগ্য হলেও অনেকটা দায় ঠেকে মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। গোটা সড়কজুড়ে ক্ষত-বিক্ষতের চিত্র। মনে হচ্ছে কোনো যুদ্ধক্ষেত্র।

ওয়ার্ড মেম্বার শামীম আহমেদ জানান, শরীফপুর গ্রামের এই রাস্তাটি প্রায় ২ যুগ পূর্বে সংস্কার করেন ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল লতিফ সাহেব। সে সময় কাচা রাস্তাটিতে প্রায় ২ কিলোমিটার মাটি ভরাট করা হলেও এই ২ যুগে কোনো রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই রাস্তাটি অনুপযোগি হয়ে পড়লে বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ নির্বাচিত হয়েই মাটি ফেলে চলাচলের উপযোগি করে দেন। কিন্তু গ্রামে এখন টমটম আসায় বৃষ্টির মৌসুমে মাটির রাস্তাগুলোতে বিশ্রী অবস্থার সৃষ্টি হয়।

আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা আনসার পুলিশ আব্দুল জাহির মিয়া জানান, রাস্তাটি এতই খারাপ যে, এখন যানবাহন তো দূরের কথা মানুষও চলাচল করতে পারে না। বর্ষার আগে রাস্তাটি মেরামত করা না হলে গ্রামের মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট পোহাতে হবে।

সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে সড়কের কোথাও কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কে একটি গাড়ি আরেকটিকে অতিক্রম করতে পারছে না। স্থানীয়রা বলেন, তাঁদের বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারছেনা, গ্রামের নারী পুরুষ হাট বাজারসহ বাহিরে বেরুতে পারেন না।

কিন্তু এই ভাঙাচোরা সড়কের কারণে সিএনজি অটোরিক্সা যেতে চায়না। গেলেও এ জন্য অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাঁদের। দ্রুত এ সড়কটি সংস্কার করা দরকার।

টমটম চালক আব্দুল আলী বলেন, ভাঙ্গাচোরা রাস্তার জন্য টমটমও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে গাড়ি নিয়ে বেরুতে হয়।

শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা কলেজ ছাত্র রেদুয়ান আহমেদ বলেন, সড়কের বেহাল অবস্থার জন্য তাঁদের অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। এ সড়ক দিয়ে চলাচল করলে কষ্ট হয়, প্যান্ট উঠিয়ে জুতা হাতে নিয়ে যেতে হয়।

আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ জানান, সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি ইতিমধ্যে উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় বলা হয়েছে। সড়কটির একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে। প্রকল্পের অনুমোদন পেলে সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews