1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাহুবলে ঘাসের ওষুধ খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের লোকনাথ বাবার উৎসবে অংশগ্রহণ ও পরিদর্শন পানি সংকটে সাতছড়ির বন্যপ্রাণী, জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিলেন চীফ প্রসিকিউটর  চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধি তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি কাউসার গ্রেপ্তার নেপালের বন্যা: সীমান্তের ঊর্ধ্বে এক সংকট প্রতিবন্ধী তরুণী রুমি ধর্ষণ মামলার আসামী কাউসারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯ বৈধ কাজের পথে অবৈধ দাবির দেয়াল; ঘুষ নয়, অধিকার চাই- দালালি নয়, স্বচ্ছতা চাই চুনারুঘাট থেকে হার্ভার্ড, দীপ্তিতা দাশের অনন্য অর্জন  চুনারুঘাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন শুভ জন্মাষ্টমী আজ | কালনেত্র

বাহুবলে ঘাসের ওষুধ খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

বাহুবল প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পূর্ব জয়পুর গ্রামে ঘাসের ওষুধ (কীটনাশক) খেয়ে রুমানা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুমানা আক্তার পূর্ব জয়পুর গ্রামের আব্দুল মন্নান মিয়ার ছেলে আব্দুল মালেক মিয়ার (৪৭) দ্বিতীয় স্ত্রী। তার আগে লাকি আক্তার (৪০) নামে মালেক মিয়ার প্রথম স্ত্রী রয়েছেন। প্রথম স্ত্রীর কোনো সন্তান নেই। দ্বিতীয় স্ত্রী রুমানার তিন সন্তান রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা দামের একটি ফ্যান কেনাকে কেন্দ্র করে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়। ফ্যান কেনার জন্য প্রথম স্ত্রী লাকি আক্তার স্বামীকে ২ হাজার টাকা দেন। পরে আব্দুল মালেক আরও ১ হাজার ৫০০ টাকা যোগ করে মোট ৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে ফ্যানটি কিনে দেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় স্ত্রী রুমানা আক্তার ওই ১ হাজার ৫০০ টাকা কেন যোগ করা হয়েছে এবং নতুন ফ্যান কেনা হয়েছে—এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়রা জানান।

এরই একপর্যায়ে শনিবার সকাল ১০টার দিকে রুমানা ঘাসের ওষুধের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে পান করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে।

কিছুক্ষণ পর তিনি বমি করতে শুরু করেন। এ সময় তার ভাগনি মাহিশা আক্তার (৭) বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌড়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়।

ঘটনার সময় রুমানার স্বামী আব্দুল মালেক পাশের বাড়িতে ধান শুকানোর কাজে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত বাড়িতে এসে রুমানাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, “গৃহবধূর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে, তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তদন্তে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দ.ক.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews