1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
‎বাহুবলে জিরার ট্রাক আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা হেলালসহ আটক ২ হবিগঞ্জ থেকে বালির ট্রাকে লুকিয়ে পরিবহন কালে ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি চুনারুঘাটে চোর চক্রের মূলহোতা মিজানকে বানিয়াচং থেকে আটক, ট্রাক্টর চুরির চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর উদ্বোধন জনবল সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে লাখাইয়ের চিকিৎসাসেবা  শেষে এসেও আলোচনার শীর্ষে এমপি ভ্রাতা সাইফুল; তফসিল ঘোষণা না হলেও জোরেশোরে বইছে আহম্মদাবাদে নির্বাচনী হাওয়া চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সিরাত মাহফিল ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা আগামীকাল  আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে নতুন চমক সংসদ সদস্য শাম্মী’র ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম গাজীপুর স্কুলের গভর্নিং বডির অভিভাবক প্রতিনিধি নোমান আহমেদ নির্বাচিত চুনারুঘাটে এক অসহায় বৃদ্ধা নারীর জমি দখলের পায়তারা করছে একটি ভূমিকেখো চক্র

ফুলেল শুভেচ্ছার সমালোচনা! অথচ সততার প্রশ্নে মো: আলী’ই একটা ফুল

Reporter Name
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

 

কালনেত্র প্রতিবেদক: বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের তৃণমূল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার ঘটনা বেশ প্রচলিত। অনেক ক্ষেত্রে সৎ ও নিষ্ঠাবান জনপ্রতিনিধিরা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় আবদার বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ষড়যন্ত্রের সম্মুখীন হন।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী সৎভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দল বা প্রভাবশালীদের স্বার্থে আঘাত লাগলে অনেক চেয়ারম্যান রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলার শিকার হন। বিভিন্ন এলাকায় জনপ্রতিনিধিদের রাজনৈতিক মেরুকরণের ফলে নানা অভিযোগের মুখোমুখি হতে দেখা গেছে। অনেক সময় দুর্নীতির বিচার করতে গিয়ে চেয়ারম্যান বা সদস্যরা উল্টো হয়রানির শিকার হন। তবে একজন সৎ জনপ্রতিনিধি প্রতিহিংসার শিকার হলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালানোর পর সাড়ে ৪ হাজার ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে বেশির ভাগই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্য বলছে, এই সংখ্যা ৩ সহস্রাধিক। এই পটভূমিতে সেবা থেকে বঞ্চিত হয়নি চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নবাসী।

কিন্তু জনপ্রতিনিধি হিসেবে জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করা বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা এবং জনগণের আস্থার সংকটের কারণেই মূলত সমালোচনাগুলো তৈরি হয়। কিন্তু চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আলীর বেলায় আমরা ভিন্নচিত্র দেখতে পাই- যখন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারের ভোটে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হচ্ছিলো তখন বিজয়ী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করায় মুহাম্মদ আলীর সমালোচনা করা কতটা যৌক্তিক?

আমরা সমালোচনা করছি যখন গাজীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বিশাল একটা অংশের জনগনের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে মন্ত্রীর বাজেটের ব্রীজ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ায় সভাপতি হিসাবে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে ভরণ করার সমালোচনায় মুহামৃমদ আলীর নিন্দা হয়! অবাক!

অথচ স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের আইন অনুযায়ী, পরিষদের স্বার্থপরিপন্থি কাজ করলে চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করতে পারবে সরকার। এ ছাড়া দুর্নীতি, অসদাচরণ বা নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী তাদের অপসারণের সুযোগ রয়েছে কেবল।

বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি এবং জনসেবায় অবহেলার ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। অনেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি, এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে, যার ফলে স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্তও হয়েছেন এমন প্রমাণ আছে অনেক। কিন্তু চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আলী এসব অভিযোগ মুক্ত একজন সৃজনশীল সংস্কৃতিমনা স্বজ্জন।

গাজীপুর ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কোনো প্রকল্পে দুর্নীতি, টিআর/কাবিখা কর্মসূচিতে অনিয়ম, জন্ম নিবন্ধন বা অন্যান্য নাগরিক সনদ প্রদানে ঘুষ গ্রহণ, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত ফায়দা লুট, প্রতিপক্ষকে হয়রানি, এবং দলীয় প্রভাব বিস্তার করার মতো কোনো নজির বা অভিযোগ কি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে কারও আছে? অথচ সমালোচনার বিষয় হওয়ার কথা ছিলো এসব অভিযোগে! সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তির ভোগান্তি নিয়ে!

সমালোচনার বিষয় ছিল- ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড বা অন্যান্য সরকারি সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতার অভাব কিংবা নিকটাত্মীয় বা দলীয় স্বজনপ্রীতির প্রমাণ নেই মুহাম্মদ আলীর বিরোদ্ধে।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় আন্দোলনের সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এর পর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন উপজেলার ছয় চেয়ারম্যান। এখানেও নাম নেই গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আলীর।

নেতৃত্ব হলো বিশেষ লক্ষ্য অর্জনের জন্য দলের সদস্যদের প্রভাবিত, উৎসাহিত ও পরিচালিত করার একটি সামাজিক প্রক্রিয়া। এটি শুধু পদবি নয়, বরং দায়িত্ববোধ ও মানসিকতার সমন্বয়, যা একটি পরিবার, প্রতিষ্ঠান বা দেশকে বদলে দিতে পারে।

উল্লেখযোগ্য নজির হচ্ছে- সরকারী সময়ের কর্মঘন্টার পরও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আলী পরিবারের জন্য নির্ধারিত সময়টুকু পর্যন্ত সন্ধ্যা থেকে রাত ১০ টার অধিক সময় অবদি ইউনিয়ন অফিস কক্ষে বসে উন্মুক্ত নাগরিক সেবা প্রদানসহ আসামপাড়া বাজার মনিটরিং সেবায় ব্যয় করে আসছেন তিনি।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews