1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিজিবির অভিযানে ট্রাকভর্তি পাথরের নিচে লুকানো ভারতীয় জিরা জব্দ মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরাই গণমাধ্যমের মূল শক্তি- সিরাজুল মনির হবিগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত দৈনিক বর্তমান বাংলার বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে গতরাতে সেনা অভিযানে গাঁজা-মদ বিক্রেতাদের আটক আয়েশা আহমেদের উপন্যাস ‘ভাঙা ঘরে চাঁদের আলো’র মোড়ক উন্মোচন ভোটাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়ার আন্দোলনের কথা স্মরণ করলেন আনিসুল  তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে বিএনপির প্রস্তুতি সভা  মাধবপুরে ৩২ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার পদক্ষেপ গণপাঠাগারের “আলোর পদক্ষেপ” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

একটি প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা- ❝জেদী বাচ্চা মানেই বুদ্ধিমান বাচ্চা❞

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

 

অনেক সময় শিশুর জেদ দেখলে আমরা বিরক্ত হই। ভাবি— কেন কথা শুনছে না! কিন্তু সত্য হলো, শিশুর জেদ তার বুদ্ধিবিকাশেরই শক্তিশালী লক্ষণ।

জেদ মানে শিশুটি ভাবতে শিখছে। যখন সে “না” বলে বা নিজের মতামত ধরে রাখে, তখন সে বোঝায়—“আমিও বুঝি, আমিও সিদ্ধান্ত নিতে চাই।” এই স্বাধীন চিন্তাই তাকে ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

অভিভাবকের প্রথম দায়িত্ব শান্ত থাকা। শিশুর জেদ যত বাড়ে, আমাদের রাগ তত বাড়ে। কিন্তু রাগ দেখালে পরিস্থিতি খারাপই হয়। শান্ত, ধীর স্বরে কথা বললে শিশুরাও নরম হয়ে আসে। অনেক সময় আপনার স্থির মুখটাই কাজ করে।

জেদ সামলানোর সহজ কৌশল

১) খেলার ছলে উল্টো কথা বলা (Reverse Psychology)
নিষেধ করলে শিশুরা উল্টো সেটাই করতে চায়। যেমন— “আজ তুমি দুধ খেও না।”
শিশু—“না, আমি খাব!”
কারণ সে নিজের সিদ্ধান্তে দৃঢ় থাকতে ভালোবাসে।

২) ছোট্ট “বিকল্প” দেওয়া
আদেশ শিশুরা পছন্দ করে না, কিন্তু তারা পছন্দ করে নিজে বেছে নিতে। “দুধ খাও”— এই আদেশ সে না-ও মানতে পারে।
কিন্তু—“দুধ গরম খাবে, নাকি ঠান্ডা?” সাথে সাথে একটা বেছে নেবে। সিদ্ধান্ত তার, কাজটাও হয়ে গেল—দু’পক্ষেরই জয়।

এক মা তার শিশুকে বাইরে নিতে পারছিলেন না। শিশু জেদ করছিল, “যাবো না।”
মা মজা করে বললেন, “বাইরে গেলে এক চোখ বন্ধ করে যাবে, না দুইটা?”
শিশু হেসে বলল, “দুইটা!”
মুহূর্তেই জেদ বদলে গেল আনন্দে।

জেদ—একটি স্বাভাবিক বিকাশ ধাপ—

দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সে শিশুরা সবচেয়ে বেশি জেদ করে, কারণ তখনই তারা স্বাধীন হতে শেখে। জেদ দমন নয়—বোঝা প্রয়োজন। কারণ জেদ মানে শুধু প্রতিবাদ নয়, এটি চিন্তার প্রকাশ। আপনি যদি সেই চিন্তাকে সম্মান করেন, ধৈর্য দেখান— তাহলে এই জেদী শিশুই একদিন হবে আত্মবিশ্বাসী, সচেতন, দৃঢ় মানসিকতার একজন মানুষ।

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট