1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর উদ্বোধন জনবল সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে লাখাইয়ের চিকিৎসাসেবা  শেষে এসেও আলোচনার শীর্ষে এমপি ভ্রাতা সাইফুল; তফসিল ঘোষণা না হলেও জোরেশোরে বইছে আহম্মদাবাদে নির্বাচনী হাওয়া চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সিরাত মাহফিল ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা আগামীকাল  আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে নতুন চমক সংসদ সদস্য শাম্মী’র ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম গাজীপুর স্কুলের গভর্নিং বডির অভিভাবক প্রতিনিধি নোমান আহমেদ নির্বাচিত চুনারুঘাটে এক অসহায় বৃদ্ধা নারীর জমি দখলের পায়তারা করছে একটি ভূমিকেখো চক্র চুনারুঘাটে ইসলামী ছাত্রসেনার প্রতিনিধি সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত স্থবির আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি স্কুল শিক্ষার্থীদের

চুনারুঘাটে অর্থাভাবে চোখের সামনে নিভে যেতে বসেছে এক যুবকের প্রাণ

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
filter: 0; jpegRotation: 90; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Night; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 0.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

 

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: চিকিৎসার অভাবে ধীরে ধীরে নিভে যাচ্ছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ফারুক মিয়া (৩৮) নামের এক যুবকের জীবন প্রদীপ। লিভার রোগে আক্রান্ত এই যুবকের বাঁচা মরার লড়াই এখন নির্ভর করছে মানুষের সহানুভতি আর মানবিক সহায়তার ওপর।

ফারুক চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের জারুলিয়া গ্রামের মৃত কাছম আলীর ছেলে। টমটম চালক ফারুকই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। মা, স্ত্রী ও একপুত্র সন্তানকে নিয়ে চলছিল তার স্বাভাবিক জীবন। কিন্তু ২০২৫ সালের মাঝামাঝিতে সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়। হঠাৎ জ্বর, তীব্র পেটব্যথা, আমাশয় ও শারীরিক দুর্বলতায় ভেঙে পড়ে সে। স্থানীয় চিকিৎসক থেকে শুরু করে হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। একপর্যায়ে তিনি চিকিৎসা নেন সিলেট উসমানী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বিধান চন্দ্র দাসের কাছে। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যায় ফারুক লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত। পরবর্তীতে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় দুই মাস চিকিৎসা নিলেও অবস্থার অবনতি ঘটে। চিকিৎসকরা তাকে ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু অর্থ জটিলতায় সেই পথও বন্ধ হয়ে যায়। তার চিকিৎসার বিপুল অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে পরিবারকে বিক্রি করতে হয়েছে একমাত্র আয়ের উৎস টমটম গাড়িটিও। তবুও চিকিৎসা সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। শেষ হয়ে গেছে সব সঞ্চয়, সব সম্বল।

আজ ফারুক তার অসুস্থ শরীর আর ভাঙা স্বপ্ন নিয়ে পড়ে আছে বিছানায়। চিকিৎসকদের মতে, ভারতে চিকিৎসা নিলে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু অর্থের অভাবে ভারত তো দূরের কথা প্রতিদিনের ওষুধও কিনতে পারছেন না। প্রতিদিন শুধু ওষুধেই প্রয়োজন প্রায় ৭শ থেকে ৫০০ টাকা।

ছেলের শয্যার পাশে বসে মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “চোখের সামনে আমার ছেলেটা ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। আমি একজন মা হয়ে কিছুই করতে পারছি না। সরকার বা কোনো হৃদয়বান মানুষ যদি পাশে দাঁড়ান, তাহলে হয়তো আমার সন্তানটা আবার বাঁচার সুযোগ পাবে।”

এক সময়ের কর্মঠ, হাসিখুশি এই যুবক আজ নিঃশব্দে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। মানবিক সহানুভতির অপেক্ষায়। সমাজের বিত্তবান ও দয়ালু মানুষের একটু সহায়তাই পারে একটি প্রাণ ফিরিয়ে দিতে।

ফারুক মিয়ার চিকিৎসার জন্য সহায়তা পাঠাতে আগ্রহীরা তার স্ত্রীর বিকাশ নম্বর: 01761-327757 তে অনুদান পাঠাতে পারেন।

একটি জীবন বাঁচাতে আজ ফারুকের চোখ দুটি তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews