1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অনুমোদন নেই, তবুও চলছে ছাতিয়াইন বাজারে আইসক্রিম উৎপাদন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের জন্য রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা বাড়ানো হবে আহম্মদাবাদের ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সুজয় দাশের বদলি চুনারুঘাটে অবৈধ ৭টি করাত কল সিলগালা করল ভ্রাম্যমান আদালত চুনারুঘাটে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের ঢল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নজরুল বর্ষ উদযাপনে নতুন নির্দেশনা চুনারুঘাটে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন মাদ্রাসা শিক্ষক, মুফতি আঃ সালাম তরফদারকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন আল ইসলাহ ও তালামীযের উদ্যোগে মিলাদুন্নবী মুবারক র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাহুবলে উশৃঙ্খল মাদকাসক্ত যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড

অনুমোদন নেই, তবুও চলছে ছাতিয়াইন বাজারে আইসক্রিম উৎপাদন

মাধবপুর প্রতিনিধি 
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের ছাতিয়াইন বাজার হাসপাতাল রাস্তাসংলগ্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগ উঠেছে নিখিল পালের মালিকানাধীন একটি কারখানার বিরুদ্ধে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে আইসক্রিম উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কারখানাটিতে আইসক্রিম তৈরিতে অনিরাপদ পানি, কৃত্রিম রং ও অনুমোদনহীন মিষ্টিকারক ব্যবহারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। উৎপাদিত আইসক্রিম বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নাম ও লোগো ব্যবহার করে বাজারজাত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতা এফ জামান ফখরুল বলেন, খাবারে ব্যবহারের অনুপযোগী শিল্পকারখানার রাসায়নিক রং ব্যবহার করা হলে তা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
তাই আইসক্রিম কারখানায় ব্যবহৃত পানি ও উপকরণ পরীক্ষা এবং উৎপাদন পরিবেশ সরেজমিনে পরিদর্শন করা প্রয়োজন।

উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মাহাবুব রহমান বলেন, “কারখানাটির বৈধ কাগজপত্র আছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরুল হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাদ্য শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ ধরনের খাদ্য গ্রহণে ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি রয়েছে। তাই খাদ্যপণ্যের উপকরণ ও উৎপাদন পরিবেশ পরীক্ষা করা জরুরি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, “বিষয়টি জানা হয়েছে। অভিযোগটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুমোদন ছাড়া বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কারখানার মালিক নিখিল পাল বলেন, “আইসক্রিম কারখানা চালাতে আমার কোনো অনুমোদন লাগে না। আমি প্রশাসন ম্যানেজ করে ব্যবসা করি।”
মালিকের এমন বক্তব্য ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, কারখানাটির বৈধ কাগজপত্র, খাদ্য উৎপাদনের অনুমোদন, ব্যবহৃত পানি ও উপকরণের মান এবং ব্র্যান্ডের নাম-লোগো ব্যবহারের বৈধতা দ্রুত যাচাই করা হোক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি শুধু আশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কারখানার উৎপাদন উপকরণ ও প্রস্তুতকৃত আইসক্রিমের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দ.ক.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews