1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাট থানার দারোগা সজল আসামী ধরেও ছেড়ে দিলেন অন্য পুলিশের তদবিরে আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): মহানবী (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের দিন চুনারুঘাটের গর্বিত সন্তান ডা. মুনশি মুনতারিন জামাল প্রজ্ঞা ৪৮তম বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে গেজেটভুক্ত  দৈনিক কালনেত্রের সহকারী সম্পাদক হলেন মনির সরকার চুনারুঘাটে ক্রীড়া সামগ্রী ও দুস্থ নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ আশ্বাসের বৃত্তে বন্দী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বঞ্চনা, প্রতিশ্রুতি ও প্রাপ্য অধিকারের দীর্ঘ অপেক্ষা  পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন: কোরআন কী বলে? দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবিতে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে সালেহ উদ্দিন বাবরুর গণসংযোগ বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রকাশ

চুনারুঘাট থানার দারোগা সজল আসামী ধরেও ছেড়ে দিলেন অন্য পুলিশের তদবিরে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬

আইনি বিধান অনুযায়ী, আদালতের সুনির্দিষ্ট অনুমতি বা পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ কোনো আটক আসামিকে নিজের ক্ষমতায় ছেড়ে দিতে পারে না। তবুও তদবির বা প্রভাবে আসামি ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে চুনারুঘাট থানায়। যা পুলিশি ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

গতকাল মঙ্গল বার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানাধীন আমুরোড বাজার এলাকা থেকে দোকান চুরির মামলায় আল আমিনকে চুনারুঘাট থানার দারোগা সজল পাল আটক করেন।

পরক্ষণে আসামীর মামা পুলিশ কনস্টেবল মিজানুর রহমান সিলেট থেকে এসে তার ভাগনা চুরির অভিযোগে আটক মোঃ আল আমিন কে ছাড়িয়ে নেন। এতে আমুরোড এলাকার জনসাধারণের মধ্যে জনরোষ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাজার ব্যবসায়িরা জানান, একজন পুলিশ সদস্য সিলেটে কর্মরত। ওইখান থেকে এসে চুনারুঘাট থানায় তার ভাগনাকে এভাবে ছাড়িয়ে নিল এবং থানার সামনে স্পর্দা দেখিয়ে সেলফি তুললো, এটা প্রভাব বিস্তারের শামিল এবং আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি।

অথচ আইনে উল্লেখ আছে, একবার কাউকে গ্রেপ্তার করার পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা বাধ্যতামূলক। পুলিশ শুধু নির্দিষ্ট কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন সন্দেহ না থাকায় বা মুচলেকা নিয়ে) মুক্তি দিতে পারে, তবে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে ছেড়ে দেওয়ার একক এখতিয়ার পুলিশের নেই। অন্য কোনো কর্মকর্তা বা প্রভাবশালী মহলের তদবিরে আসামি ছেড়ে দেওয়া বিভাগীয় শৃঙ্খলা ও আইনের পরিপন্থী। এ ধরনের ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা, প্রত্যাহার বা সাসপেন্ড করার বিধান রয়েছে।

এব্যাপারে আমাদের প্রতিনিধি এস আই সাজলের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আপনার কিছু করার থাকলে করতে পারেন, এ ব্যাপারে আপনাদের কৈফিয়ত দিতে আমি রাজি নই।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

দারোগা সজলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি রাখি।

দ.ক/এসটিআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews