1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চাটপাড়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় ছাত্রকে ছু/রি/কা/ঘা/ত হবিগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতির আয়নায় আত্মপরিচয়, ভালোবাসা ও বাংলাদেশের অনন্ত সৌন্দর্য আজমিরীগঞ্জে নেশাগ্রস্থ পুত্রের হাতে ক্যান্সার আক্রান্ত পিতা খুন ২৪ বছরের বন্দিজীবনের অবসান : নতুন জীবনের পথে কয়েস আহমেদ হবিগঞ্জের তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাজারে নজরদারি বাড়াতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সৈয়দ মুশফিক আহমেদের সহযোগিতায় অপহৃত হাফেজ আব্দুল বাছির উদ্ধার ঘুষকাণ্ডে চুনারুঘাট থানার এএসআই অতনু বণিক ক্লোজড নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ: আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী

বাহুবলে সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও স’ মিল থেকে মাসোহারা: বন কর্কমর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

বাহুবল প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় নতুন সরকারি প্লট বরাদ্দের নামে দরিদ্র ও প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তুফায়েল আহমেদের সরাসরি আদেশে বিট অফিসার মিনহাজ উদ্দিন এই অবৈধ অর্থ বাণিজ্যের সিন্ডিকেট চালাচ্ছেন বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।
শুধু প্লট বরাদ্দেই নয়, রেঞ্জ কর্মকর্তা তুফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে উপজেলার বিভিন্ন স’ মিল (করাত কল) থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের মাসিক চাঁদা (মাসোহারা) তোলারও একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকার কর্তৃক নতুন প্লট বরাদ্দের ঘোষণার পর থেকেই বাহুবল এলাকায় এক শ্রেণির দালাল চক্রকে সাথে নিয়ে মাঠে নামেন বিট অফিসার মিনহাজ উদ্দিন। নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীন ও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে উপকারভোগীদের মাঝে এই প্লট বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও, এখানে চলছে টাকার খেলা। রেঞ্জ কর্মকর্তা তুফায়েল আহমেদের গ্রিন সিগন্যাল ও নির্দেশে বিট অফিসার মিনহাজ উপকারভোগীদের তালিকাভুক্ত করার নামে জনপ্রতি মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নতুন প্লট পাওয়ার আশায় আমরা বুক বেঁধেছিলাম। কিন্তু বিট অফিসার মিনহাজ উদ্দিন সরাসরি জানিয়েছেন, রেঞ্জ স্যারের ওপর থেকে অর্ডার আছে—টাকা ছাড়া কোনো প্লট বরাদ্দ দেওয়া যাবে না। বাধ্য হয়ে অনেকেই জমিজমা বা গবাদিপশু বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। যারা টাকা দিতে পারছেন না, তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।”
এদিকে স্থানীয় স’ মিল মালিকদের সূত্রে জানা গেছে, রেঞ্জ কর্মকর্তা তুফায়েল আহমেদের ছায়াতলে উপজেলার বিভিন্ন অবৈধ ও বৈধ করাত কল থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করা হয়। চাঁদা না দিলে মিল বন্ধ করে দেওয়া বা মামলার ভয় দেখানো হয়। ফলে বাধ্য হয়েই মিল মালিকরা প্রতি মাসে তার লোকজনকে টাকা দিয়ে আসছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পকে নিজেদের পকেট ভারী করার হাতিয়ার বানিয়েছেন এই দুই কর্মকর্তা। একদিকে গরিবের প্লট নিয়ে বাণিজ্য, অন্যদিকে স’ মিল থেকে চাঁদাবাজি—রেঞ্জ কর্মকর্তা তুফায়েল আহমেদ এবং বিট অফিসার মিনহাজ উদ্দিনের এই যৌথ সিন্ডিকেটের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
এই বিষয়ে জানতে বিট অফিসার মিনহাজ উদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সদুত্তর দিতে রাজি হননি। অন্যদিকে রেঞ্জ কর্মকর্তা তুফায়েল আহমেদের পক্ষ থেকেও কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাহুবলের এই সরকারি প্লট বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews