1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের পূজার বরাদ্দ ও শাড়ি বিতরণ জারুলিয়া মাদ্রাসায় এডভোকেট আবুল খায়ের মেধাবৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান  VDF-এর বিভাগীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত মোঃ খালিদ হাসান সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানালেন সুহেল চৌধুরী মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ : অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন অবিরাম ভাঙছে পাহাড়-চা বাগানের টিলা, নেই স্থায়ী প্রতিরোধের ব্যবস্থা  ​এমপিও নীতিমালা ও গেজেট অমান্য করে দ্বৈত চাকরি: চুনারুঘাটে তোলপাড় হবিগঞ্জে গাড়ি চাপায় শিশুর মৃত্যু, চালক আটক হবিগঞ্জে কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাস নিয়ে পাঠচক্র ও চা-আড্ডা সুস্থ জীবন ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার: সিভিল সার্জন

বিলীন হচ্ছে শতবর্ষের ছাতা মেরামতের পেশা

Reporter Name
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

 

আধুনিকতার ছোঁয়া, কম দামে নতুন ছাতার সহজলভ্যতা এবং আয় কমে যাওয়ার কারণে কালের স্রোতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শতবর্ষের ছাতা মেরামতের ঐতিহ্যবাহী পেশা। একসময় বর্ষা মৌসুমে যার ছিল ব্যাপক চাহিদা, সেই পেশায় এখন নতুন প্রজন্মের আগ্রহও কমে গেছে।

স্থানীয় বাজার ও বিভিন্ন হাটে এখনো কয়েকজন ছাতা মেরামতের কারিগর বসেন। তাদের দক্ষ হাতে ভাঙা শিক, ছেঁড়া কাপড়, নষ্ট স্প্রিং কিংবা হাতল বদলে পুরোনো ছাতা আবারও ব্যবহার উপযোগী হয়ে ওঠে। তবে আগের তুলনায় কাজের পরিমাণ ও আয় দুটোই কমে যাওয়ায় পেশাটি টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের ফান্দাউক গ্রামের গাইনহাটির বাসিন্দা আবেদ আলী প্রায় ৩৮ বছর ধরে ছাতা মেরামতের কাজ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই পেশাই ছিল তার পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস। তিনি জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে দিনে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত আয় হতো। বর্ষার তিন মাসের আয়েই বছরের বড় একটি সময় সংসার চালানো যেত। এখন দিনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় বর্ষার দিনে গ্রামে গ্রামে ছাতা মেরামতকারীদের হাঁকডাকে পরিবেশ মুখর থাকত। কিন্তু বর্তমানে বাজারে কম দামে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের নতুন ছাতা সহজেই পাওয়া যায়। ফলে মানুষ পুরোনো ছাতা মেরামতের পরিবর্তে নতুন ছাতা কিনতেই বেশি আগ্রহী হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি অনেক ছাতা সহজে মেরামত করা সম্ভব হয় না। পাশাপাশি কাজের অনিয়মিততা ও আয় কমে যাওয়ায় নতুন প্রজন্মও এই পেশায় যুক্ত হতে আগ্রহ হারাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা বলেন, ছাতা মেরামতের মতো ঐতিহ্যবাহী পেশা সংরক্ষণ করা মানে শুধু কিছু মানুষের জীবিকা রক্ষা করা নয়; বরং দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, দক্ষ কারিগরি এবং পরিবেশবান্ধব জীবনধারাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা।

স্থানীয়দের দাবি, ঐতিহ্যবাহী এই পেশা টিকিয়ে রাখতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ, সামাজিক সহায়তা এবং দক্ষ কারিগরদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্রয়োজন। অন্যথায় একসময় শতবর্ষের এই পেশা শুধু স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews