1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জয়ের আশায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন আহম্মদাবাদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আউয়াল চুনারুঘাটের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক  চুনারুঘাটে দুর্গাপূজার নবমীতে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন জসিম উদ্দিন চুনারুঘাট ফটোগ্রাফি সোসাইটির ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফারহানা-আওলাদের পরকিয়ায় বাধা দেওয়ায় এক নারী হামলার শিকার; থানায় অভিযোগ  হবিগঞ্জে সীমান্তসংলগ্ন ৬৪ পূজামণ্ডপে ৫৫ বিজিবির বিশেষ নিরাপত্তা চুনারুঘাটে ছুটির দিনেও যানজট নিরসনে মাঠে সক্রিয় পৌরকর্মকর্তা বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে চমক দেখালেন বানিয়াচংয়ের কিবরিয়া: ইসলামিক স্টাডিজে বিশ্বে হলেন ৪র্থ গুরু ও পিতা-মাতা; যাদের ঋণ শোধ হয় না দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় এসআরবি-৯-এর বিশেষ নজরদারি, মাঠে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বিরল কালো মথুরা

Reporter Name
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রীর ক্যামেরায় ধরা পড়েছে দেশের অন্যতম বিরল বনজ পাখি কালো মথুরা। প্রখ্যাত বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী আনিস শেখ সম্প্রতি উদ্যানের গভীর অরণ্যে পূর্ণবয়স্ক একটি পুরুষ কালো মথুরার দুর্লভ ছবি ধারণ করেন। ছবিটি প্রকাশের পর প্রকৃতিপ্রেমী, পাখি গবেষক এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

বন বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো মথুরা বাংলাদেশের অত্যন্ত বিরল আবাসিক বনমোরগ। ঘন চিরসবুজ ও আধা-চিরসবুজ বনাঞ্চলে এর বসবাস। মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই দ্রুত ঝোপঝাড়ের আড়ালে লুকিয়ে পড়ে বলে পাখিটিকে খালি চোখে দেখা অত্যন্ত কঠিন। এ কারণে এর ছবি ধারণ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।

আলোকচিত্রী আনিস শেখ জানান, দীর্ঘ সময় ধৈর্য ধরে বন পর্যবেক্ষণের পর তিনি সাতছড়ির একটি নিরিবিলি স্থানে কালো মথুরাটির দেখা পান। পাখিটি কিছুক্ষণ বনপথের পাশে খাদ্যের সন্ধান করছিল। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে তিনি ক্যামেরায় কয়েকটি দুর্লভ মুহূর্ত ধারণ করতে সক্ষম হন।

এই আলোকচিত্রী বলেন, বাংলাদেশের বনাঞ্চলে এমন বিরল প্রজাতির পাখির উপস্থিতি জীববৈচিত্র্যের আগামীর জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এটি সংরক্ষণে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে।
প্রকৃতিবিদদের ভাষ্য, পুরুষ কালো মথুরার শরীরে চকচকে নীলাভ-কালো পালক, মাথায় লাল রঙের খোলা ত্বক এবং লম্বা সাদা-কালো মিশ্রিত লেজ থাকে, যা সহজেই অন্য বনমোরগ থেকে আলাদা করে চেনা যায়। বনজ ফল, বীজ, কচি পাতা ও ছোট ছোট পোকামাকড় এদের প্রধান খাদ্য।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা বলছেন, অবৈধ গাছ কাটা, বনভূমিতে মানুষের অনুপ্রবেশ, শব্দদূষণ এবং আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে এমন বিরল পাখির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তাই সাতছড়িসহ দেশের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো, দর্শনার্থীদের সচেতন করা এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল অক্ষুণ্ন রাখা জরুরি।

সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী মাসুদ জানান, কালো মথুরার এই দুর্লভ উপস্থিতি শুধু একটি সুন্দর আলোকচিত্র নয়; এটি সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং দেশের বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার শক্তিশালী বার্তা। সাতছড়ি বনের জীববৈচিত্র্য আগের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময়।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews