1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জে অবরুদ্ধ নাসীরুদ্দীন ও সারজিস প্রটোকলে ঢাকার পথে অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া হবিগঞ্জ জেলা কারাগার! শায়েস্তাগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন দেওন্দী চা বাগানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ চুনারুঘাটের রিংকু রায় গরুর খামারের আড়ালে করেন চুরির গরুর ব্যাবসা কাউন্সিলরকে ঘিরে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে উত্তাল শায়েস্তাগঞ্জ, মানববন্ধনের ঘোষণা শ্রীমঙ্গলে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, ১৫০ জন পেলেন চশমা চুনারুঘাটে ধাওয়া শেষে আটক ডাকাতি মামলার আসামী, জব্দ প্রাইভেটকার চুনারুঘাটে লোডশেডিংয়ে জনজীবনে অস্বস্তি, ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা, বিল নিয়েও কারসাজি চুনারুঘাটে জালনোট প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা

মাধবপুরে পরকীয়ার জেরে ছাবু মিয়াকে হত্যা: ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের মাধবপুরে পরকীয়ার জেরে এক দিনমজুর ছাবু মিয়াকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২) একেএম কামাল উদ্দিন এ রায় দেন।
বিচারক আসামিদের প্রত্যেককে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’ এ ছাড়া এ হত্যা মামলার অপর আসামি মারাজ মিয়ার আগেই মৃত্যু হওয়ায় আদালত তাকে অব্যাহতি দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মাধবপুর উপজেলার বার চান্দুরা গ্রামে মোহাম্মদ আলীর ছেলে এমরান মিয়া, একই গ্রামের মারাজ মিয়ার ছেলে সোলেমান মিয়া, প্রয়াত হরমুজ আলীর ছেলে জাহেদ মিয়া ও মুরাদপুর গ্রামের মৌলা মিয়া ছেলে আবুল মিয়া।
মামলায় অভিযোগের বরাতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার তপন সিংহ জানান, বার চান্দুরা গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে দিনমজুর ছাবু মিয়ার স্ত্রীর সাথে আসামিদের একজনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এর জেরে ২০০৯ সালের ১৩ এপ্রিল ছাবুকে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়।
এ ঘটনায় ছাবু মিয়ার ভাই হাফিজ মিয়া তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। একই বছরের ২১ মে মাধবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র  দেন।’ প্রায় ১৬ বছরে ধরে বিচার কাজে তের জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দিলেন।
এ সময় আদালতে উপস্থিত মামলার বাদী হাফিজ মিয়া বলেন, ১৬ বছর অতিকষ্টে মামলা পরিচালনা করেছি। হত্যাকাণ্ডের শিকার আমার ভাই সহজ-সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। আমি এ রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছি।
দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews