1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
নবীগঞ্জে বনফুল ফুডসকে ভোক্তা অধিদপ্তরের জরিমানা শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে এবং লক্ষ্য অর্জনে উৎসাহিত করেন সালেহ আখঞ্জি শায়েস্তাগঞ্জে যৌথ অভিযানে অবৈধ দোকান পাঠ উচ্ছেদ রাজার বাজার এলাকায় মাদক বিস্তার, হস্তক্ষেপের আহ্বান কর্মকর্তাদের আদর্শই রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণের মূল ভিত্তি নবীগ‌ঞ্জের ৪‌টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠা‌নের কিশোরী‌দের জন্য স্বাস্থ্য কর্ণার নবীগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার নেপালকে হারিয়ে টানা ৩য় বার ফাইনালে বাংলাদেশ হবিগঞ্জে ব্রাজিল- আর্জেন্টিনা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক চুনারুঘাটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রশাসনের সচেতনতামূলক অভিযান

চুনারুঘাটে সংরক্ষণ উপেক্ষা করে শাপলা বিল ঘাতক পর্যটকদের হাতে প্রায় বিলুপ্ত!

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪

এফ এম খন্দকার মায়া, চুনারুঘাট◾

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় দেওন্দি চা বাগান কর্তৃপক্ষের সংরক্ষণ উপেক্ষা করে সবুজের বুকে মায়াবী শাপলা বিল যেন ঘাতক পর্যটকদের হাতে প্রায় বিলুপ্ত হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকালে স্ব শরীরে পরিদর্শন করে এ চিত্র দেখা যায়। গেল (১৩ নভেম্বর) “ফুল ছিঁড়ছেন পর্যটক, মুগ্ধতা হারাচ্ছে চুনারুঘাটের শাপলা বিল” হবিগঞ্জে প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়েশা আক্তারের বক্তব্যের জেরে চা বাগান কর্তৃপক্ষ গাছ, বাঁশ দিয়ে ভেড়া দেওয়ার পাশাপাশি চৌকিদার বসিয়েও শাপলা বিলের সৌন্দর্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ করতে উদ্যোগ নেয় বলে জানা যায়।

কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সকাল ও বিকালে উপছে পড়া পর্যটকদের আগমন ও ঘাতক পর্যটকদের শাপলা ফুল ক্রয় করার ফলে প্রায় অল্পতেই সৌন্দর্য হারানোর পাশাপাশি বিলুপ্তির উপক্রম হয়ে পড়েছে এ মায়াবী শাপলা বিল।

মুগ্ধতা ছড়ানো দুটি কুঁড়ি একটি পাতা চা বাগানের বুক জোড়ে শীতের আগমনে মায়াবী সৌন্দর্যে ভেসে উঠেছিল শাপলার বিল। এ বিল নিয়ে দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও সাড়াও পড়ে জেলা জোড়ে। পরবর্তীতে গণমাধ্যম ফেইসবুকে পর্যটকদের আগমন নজর কারে ব্যাপক। এরপর থেকেই পর্যটকদের কেন্দ্র করে স্থানীয় কিছু কিশোর আশেপাশের শাপলা ফুল ও সুযোগে বিলের শাপলা ছিঁড়ে অতিউৎসাহী ঘাতক পর্যটকদের হাতে ২০/৩০ টাকা হারে মোটা বিক্রি করতে শুরু করে। ফলে আড়ালেই বিলুপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এ শাপলা বিলের।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাইরুন আক্তার জানান, শখ করে পার্শ্ববর্তী সৌন্দর্য ও মুগ্ধতা পরিপূর্ণ দেওন্দি শাপলা বিল দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফুল নেই, মুকুল আছে বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

এছাড়াও সচেতন ব্যক্তিগণ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পর্যটকদের বিলের শাপলা ফুল দেখতে এসে ছেঁড়া ফুল কেনাবেচা খুবই দুঃখজনক। আমাদের মনে হয় তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

দ.ক.মায়া

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট