বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা একদিনে শুরু হয়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ চার দশকের ইতিহাস, মতাদর্শের বিস্তার, সাংগঠনিক বিবর্তন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া। আধুনিক অর্থে জিহাদি জঙ্গিবাদের
আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ে অভিনন্দন, শুভেচ্ছা, সংবর্ধনা আর কৃতী সন্তানের জয়জয়কার। কোথাও মাইকিং, কোথাও পোস্টার, কোথাও ব্যানার, লিফলেট, মিছিল কিংবা সমাবেশ—সবখানেই যেন কৃতী সন্তানের মেলা। কোনো ব্যক্তি বিদেশে
“খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে, প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা নিরজনে প্রভু নিরজনে।” কত গভীর এক জীবনদর্শন লুকিয়ে আছে এই পঙ্ক্তিগুলোর মধ্যে! মানুষ যে পৃথিবীকে এত আপন করে
মানুষ রাষ্ট্রের কাছে খুব বেশি কিছু চায় না। সে চায় তার প্রাপ্য অধিকারটুকু। চায় নিয়ম মেনে একটি সেবা, একটি সনদ, একটি অনুমোদন, একটি নথি, একটি ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত। একজন নাগরিক যখন
সৃষ্টির বিশাল আয়োজনের দিকে তাকালে মানুষ নিজেকে এক আশ্চর্য সৃষ্টি হিসেবে আবিষ্কার করে। সীমাহীন মহাবিশ্ব, অসংখ্য নক্ষত্র, গ্রহ, প্রাণী ও উদ্ভিদের মাঝে মানুষকে দেওয়া হয়েছে চিন্তার শক্তি, বিবেক, অনুভূতি, বিচারবোধ
জলবায়ু পরিবর্তনের কথা উঠলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কিছু পরিচিত দৃশ্য – ভয়াবহ দাবানল, আকস্মিক বন্যা, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ কিংবা খরায় ফেটে যাওয়া মাটি। সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং টেলিভিশনের পর্দায়
পৃথিবীর জীবগুলোকে কোন অদৃশ্য আকর্ষণ বেঁধে রেখেছে? কোন অজানা টানে মানুষ শুধু নয়, জল, স্থল ও আকাশের অসংখ্য প্রাণী আপন আপন গন্তব্যের দিকে ছুটে চলছে? কেউ জানে না সেই গন্তব্য
পৃথিবীতে মানুষকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব বলা হয় তার শক্তির জন্য নয়, তার বিবেকের জন্য। একটি পশু ক্ষুধা, ভয় কিংবা প্রবৃত্তির তাড়নায় কাজ করে; কিন্তু মানুষকে আলাদা করে তার বিচারবোধ, সহানুভূতি
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল স্বস্তির জীবন। কিন্তু বিদ্যুৎ, বাজারদর, জ্বালানি ও চাঁদাবাজির মতো দৈনন্দিন সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে সেই প্রত্যাশাই কি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করতে পারে? কোনো সীমান্ত
পৃথিবীর অসংখ্য জীবের মধ্যে মানুষকে বলা হয় সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। কারণ মানুষের আছে বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, যুক্তি, অনুভূতি এবং ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা। মানুষ শুধু নিজের প্রয়োজন মেটাতে পারে না,