
কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সরকারনির্ধারিত সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নিজে মাঠে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করছেন হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদুল ইসলাম। বাজারে সারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি, সঠিক মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি তিনি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন। একই সঙ্গে অসাধু চক্রের কারসাজি কিংবা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির চেষ্টা রুখতে ব্যবসায়ীদের ওপর রাখছেন কড়া নজরদারি।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এতদিন নানা অনিয়ম ও অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সরকারি ভর্তুকির সার নির্ধারিত মূল্যে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। ফলে বাড়তি দামে সার কিনতে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তেন প্রান্তিক কৃষকরা, যা তাঁদের ফসল উৎপাদন খরচ অনেক বাড়িয়ে দিত।
এই প্রেক্ষাপটে কৃষকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে সরাসরি মাঠে নেমেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদুল ইসলাম। কার্যালয়ে বসে কেবল প্রশাসনিক নির্দেশনা দেওয়ার পরিবর্তে তিনি নিজেই প্রতিদিন বিভিন্ন বাজারে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি তদারকি করছেন। তাঁর এই সরাসরি নজরদারির ফলে সারের বাজারে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার সংগ্রহ করতে পারছেন।
কৃষি কর্মকর্তার এমন প্রশংসনীয় উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাঁরা জানান, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা যখন নিজে উপস্থিত থেকে বাজার মনিটরিং করেন, তখন ব্যবসায়ীরা কোনো ধরনের অনিয়ম করার সুযোগ পান না। এতে করে প্রান্তিক চাষিদের উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হচ্ছে।
কর্মকর্তার জন্য শুভকামনা জানিয়ে স্থানীয় চাষিরা বলেন, “তার সততা ও দায়িত্বশীলতার কারণে আমরা গরিব কৃষকরা উপকৃত হচ্ছি। তিনি যেন সুস্থ ও সুন্দরভাবে দীর্ঘদিন মানুষের সেবা করে যেতে পারেন—আল্লাহর কাছে আমরা এই দোয়াই করি।”
কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে এমন দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রশংসায় ভাসছেন কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদুল ইসলাম।
দ।