1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ছাত্রলীগ নেতা ইমরান গ্রেফতার চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের রেইনকোট বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য এসএম ফয়সল চুনারুঘাটে জনতার হাতে গাঁজাসহ আটক কারবারির পুলিশ আসার আগেই পলায়ন চুনারুঘাটে সাংবাদিক ও জনতার অভিযানে গাঁজা আটক সনদ যাচাই হোক, নিরাপদ হোক মানুষের চিকিৎসা শিশু অধিকার লঙ্ঘন: ঝরে যাচ্ছে শৈশব বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দল চুনারুঘাট উপজেলা শাখার কমিটি গঠন চুনারুঘাটে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন গ্রেপ্তার নতুন লেখকদের উদ্দেশ্যে তাইজুল ইসলামের ছোটগল্প- বাঁশ হবিগঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ ক্যাডার অনিক এখন মিরপুরের মাদক সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রক ​

চুনারুঘাটে ভিক্ষুকের মেয়েকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের অভিযোগ: মামলা করেও বিচার পাচ্ছেন না ধর্ষিতা

চুনারুঘাট প্রতিনিধি :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় এক ভিক্ষুকের মেয়ে কিশোরী গৃহকর্মীকে ধর্ষণ এবং পরে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে গৃহকর্তা ছিদ্দিক আলীর ছেলে শামীম মিয়া (২৫) কে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২, হবিগঞ্জে মামলা দায়ের করেন ভোক্তভোগী পরিবার। তবে মামলা করার পরও ন্যায়বিচার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ধর্ষিতা ও তাঁর পরিবার। একই সঙ্গে মামলা প্রত্যাহারের জন্য অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

মামলার বাদী উপজেলার চুরতা গ্রামের ভিক্ষুক আব্দুল হেকিমের মেয়ে (১৬)। অভিযুক্ত মো. শামীম মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি ভুক্তভোগী পরিবার হবিগঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলন করে ধর্ষনের বিচার দাবি করেন।

মামলা সূত্রে জানাযায়, আব্দুল হেকিম ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবনযাবন করতেন। অভাবের সংসারের কারনে কিশোরী কন্যাকে গৃহকর্মী হিসেবে কাজের জন্য পাঠান একই গ্রামের ছিদ্দিক আলীর বাড়িতে। সেখানে দীর্ঘদিন কাজ করার সময় গৃহকর্তার ছেলে শামীম কিশোরীর প্রতি কুপ্রস্তাব ও কুদৃষ্টি দিতে শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজহারে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল দুপুরে বাড়ির একটি কক্ষ পরিষ্কার করার সময় গৃহকর্তার ছেলে জোরপূর্বক তাঁকে ধর্ষণ করেন। সামাজিক লজ্জা ও ভয়ের কারণে তখন বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেননি বলে দাবি করা হয়েছে। পরে তিনি ৬ মাসের গর্ভবতী হয়ে পড়েন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একই বছরের ২৩ ডিসেম্বর অভিযুক্ত জোর করে ওষুধ খাইয়ে তাঁর গর্ভপাত ঘটান। গর্ভপাত করে ৬ মাসের বাচ্চা খোয়াই নদীতে ফেলে দেন। এতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলায় দাবি করা হয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসা নথিতে অসম্পূর্ণ গর্ভপাত জনিত জটিলতার উল্লেখ রয়েছে।

এজহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার প্রমাণ নষ্ট করতে এবং বিষয়টি গোপন রাখতে ওই প্রভাবশালী পরিবারটি ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।

বাদীর অভিযোগ, ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাঁদের আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২, হবিগঞ্জে মামলাটি দায়ের করা হয়। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি হবিগঞ্জ পিবিআইকে তদন্তে পাঠান। বর্তমানে মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, মামলা দায়েরের পরও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো প্রতিকার মেলেনি। উল্টো মামলা তুলে নেওয়ার জন্য অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে গৃহকর্তার ছেলে শামীমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

মামলার তদন্তকারী পিবিআই (ওসি) মৃলান দেবনাথ বলেন-খুব শীঘ্রই বিজ্ঞ আদালতে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। যেটা সত্য তাই দেয়া হবে।

দ.ক/সিআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews