1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জে অবরুদ্ধ নাসীরুদ্দীন ও সারজিস প্রটোকলে ঢাকার পথে অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া হবিগঞ্জ জেলা কারাগার! শায়েস্তাগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন দেওন্দী চা বাগানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ চুনারুঘাটের রিংকু রায় গরুর খামারের আড়ালে করেন চুরির গরুর ব্যাবসা কাউন্সিলরকে ঘিরে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে উত্তাল শায়েস্তাগঞ্জ, মানববন্ধনের ঘোষণা শ্রীমঙ্গলে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, ১৫০ জন পেলেন চশমা চুনারুঘাটে ধাওয়া শেষে আটক ডাকাতি মামলার আসামী, জব্দ প্রাইভেটকার চুনারুঘাটে লোডশেডিংয়ে জনজীবনে অস্বস্তি, ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা, বিল নিয়েও কারসাজি চুনারুঘাটে জালনোট প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা

দেওন্দী চা বাগানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ

Reporter Name
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

চুনারুঘাট হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: চুনারুঘাটে দেওন্দি চা কোম্পানির বিরুদ্ধে সরকার কে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, কোম্পানিটি দীর্ঘদিন যাবত সংকটের কারণে শ্রীমঙ্গলের এম আর খান নামে এক ব্যক্তির কাছে প্রতি কেজি ২৩ টাকা ধরে সরকারকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কাঁচা চা পাতা বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

আরও জানা যায়, দেওন্দি চা কোম্পানি দীর্ঘদিন যাবত দুর্নীতি কারণে অচল অস্থায় যাচ্ছে তারা তাদের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং শ্রমিকদেরও নিয়মিত বেতন দিতে পারছেনা। সম্প্রতি তারা শ্রীমঙ্গলের এম আর খান কোম্পানির কাছে ২৩ টাকা দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রি করছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানিটির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ওয়াহিদুল হক। তিনি বলেন আমরা তীব্র আর্থিক সংকটে থাকার কারণে এই কাজটি করে যাচ্ছি। শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার বিষয় জিজ্ঞেস করা হলে তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছু একজন চা বিশেষজ্ঞ বলেন ১০০ কেজি চা পাতা ফ্যাক্টরির মাধ্যমে তৈরি করলে ২৩ কেজি চা হয়,প্রতি কেজি চা পাতা যদি ২৫০ টাকা দরে বিক্রি করলে মূল্য দ্বারা ৫৭৫০ টাকা। আর ২৩ টাকা ধরে ১০০ কেজি কাঁচা পাতা বিক্রি করলে মূল্য হয় ২৩০০ টাকা। হিসেবে দেখা যাচ্ছে প্রতি একশ কেজিতে ৩৪৫০ টাকা লোকশান করে দেওন্দী কোম্পানি নগদ টাকার কারণে দেদারসে কাচা চা পাতা বিক্রি করছে। যার কারণে দিন দিন কোম্পানিটি একেবারেই তলা বিহীন ঝুড়িতে রূপান্তরিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক বলেন কম্পানির জিএম রিয়াজ উদ্দিন এই কারসাজির সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জড়িত।শ্রমিক, কর্মচারী কর্মকর্তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হলেও জিএম রিয়াজ উদ্দিনের নিজের ছেলে মেয়ে উন্নত জীবন যাপন করেন আমরিকা এবং অস্ট্রেলিয়াতে। এ বিষয়ে কোম্পানির ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিনকে ফোন করে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নিপেন পাল বলেন, মালিকরা বড় বড় পাজারো গাড়ি চালিয়ে এসিতে বসে উন্নত মানের খাওয়া দাওয়া করলেও শ্রমিকদের অবস্থা একেবারে নাজেহাল,

তিনি আরও বলেন, কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ও ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ওয়াহিদুল হক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, তাদের দিয়ে আর এই কোম্পানির চলবে না। চললেও শ্রমিক,কর্মচারী,কর্মকর্তারা নিয়মিত বেতন ভাতা দিয়ে পাবে না। তাদেরকে কোম্পানি থেকে সরিয়ে দিয়ে নতুন করে কোম্পানীর কার্যক্রম শুরু করা যায় কিনা ভেবে দেখার আহবান জানান।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews