সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রাজার বাজার স্কুল: অতীত দিনের স্মৃতিগাঁথা- সুভাষ চন্দ্র দেব ইসলামি স্বর্ণযুগের শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক ইবনে সিনার মৃত্যুবার্ষিকী আজ চুনারুঘাটে কাজিরখিল সেতুর কাছেই ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন, সেতুর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বদলে যাচ্ছে আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন প্লাস্টিকের দাপটে বিলুপ্তির পথে বাঁশ-বেত শিল্প, লাখাইয়ে ঐতিহ্য বাঁচাতে বৃদ্ধের লড়াই চুনারুঘাট সীমান্তে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত সিলেটে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন, সুস্থ জীবনধারার ওপর গুরুত্বারোপ চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনে দিনভর অভিযান চুনারুঘাটে ৫ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, থানায় মামলা শ্রমিক কল্যাণে বিশেষ অবদানের জন্য শ্রেষ্ঠ চা বাগানের সম্মাননা পেয়েছে মির্জাপুর চা বাগান

রাজার বাজার স্কুল: অতীত দিনের স্মৃতিগাঁথা- সুভাষ চন্দ্র দেব

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

 

সুভাষ চন্দ্র দেবঃ ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের কথা বলছি-সবে আমাদের উচ্চ মাধ্যমিক প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা যেহেতু বেশ ভালভাবেই সম্পন্ন হয়েছে আমার ইচ্ছা ছিল আরও দিন কয়েক হবিগঞ্জে থেকে সহপাঠীদের নিয়ে কাটিয়ে যাই। কিন্তু একটি চিঠি আমার সকল ভাবনাকে কপূরের মতো উড়িয়ে দিল। চিঠির লিখক ছিলেন রাজার বাজার পাবলিক হাই

স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জনাব আব্দুল লতিফ চৌধুরী। আমার ছোট ভাই সুকেশ চন্দ্র দেবের মারফত এ চিঠিটি আমার নিকট প্রেরণ করেন। এ চিঠিটির মর্মবাণী এভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নবপ্রতিষ্ঠিত রাজার বাজার পাবলিক হাই স্কুলের শিক্ষক সংকট চলছে। আমি যেন কালবিলম্ব না করে বাড়ি চলে যাই এবং শিক্ষার্থীদের পাঠ দানে সহযোগিতা করি। লতিফ সাহেবের এ আহ্বানে সাড়া দিতে গিয়ে হবিগঞ্জ বাল্লা ট্রেন যোগে পরের দিনই বাড়িতে ফিরে আসি। সন্ধ্যাকালীন সময়ে জনাব আঃ লতিফ চৌধুরী আমাদের বাড়িতে আসেন।

সবিস্তারে স্কুলের অবস্থা বর্ননা করলেন। তিনি বললেন-রাজার বাজার একটি হাইস্কুল স্থাপনের ব্যাপারে রাজার বাজার ও আমুরোড এলাকার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা একমত হয়েছেন বলেই তিনি এ কাজে হাত দিয়েছেন। কিছুদিন পরেই আমুরোড এলাকার নেতৃস্থানীয়রা ঐ এলাকায় আরেকটি হাইস্কুল স্থাপনে উদ্যোগী হন।

রাজার বাজার পাবলিক হাইস্কুলের প্রথম প্রধান শিক্ষক হিসেবে জনাব আকবর আলী সাহেবকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বিভিন্ন কারনে জনার আকবর আলী সাহেব স্কুলে উপস্থিত হতে পারতেন না। কারন তিনি হবিগঞ্জ থেকে রাজার বাজার আসতেন। সেই সময়ে একডালার বীরেন্দ্র চন্দ্র দেব নামে আরেকজন শিক্ষকতা করতেন। কিছুদিনের মধ্যেই জনাব আকবর আলী সাহেব সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। বীরেন্দ্র চন্দ্র দেবও উন্নত জীবনের আশায় অন্যত্র চলে যান। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, পাবলিক হাই স্কুলের প্রাথমিক পর্যায়ে রাজার বাজার সরকারী জুনিয়র হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব মনিরুল হক, সহকারী শিক্ষক জনাৰ সিদ্দিক আলীসহ অন্যান্য শিক্ষকরাও নতুন স্কুলের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিয়ে সহযোগীতা করতেন।

শিক্ষকের অভাব দূর করতে জনাব আব্দুল মোছাব্বির ও সৈয়দ মোস্তফা কামাল অবৈতনিক শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নকল্পে রাজার বাজার সরকারী জুনিয়র হাই স্কুলের পাশেই একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, রাকী ঘোষ বাড়ির সন্নিকটে ও তাদের উদ্যোগে রাকী অভয়াচরণ এম ই স্কুল নামে একটি স্কুল ছিল। পরবর্তী পর্যায়ে এই স্কুলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঐ পরিত্যক্ত স্কুল ঘরটি রাজার বাজার প্রাইমারী স্কুলের স্থানে আনা হলে ঘরের একেবারে উত্তরের কক্ষে নব প্রতিষ্ঠিত নবম শ্রেনীর জন্য ব্যবস্থা করা হলো। ঘনঘন খোয়াই নদীর বন্যায় শ্রেণী কক্ষটি কর্দমাক্ত হয়ে যাওয়ায় অসুবিধা দেখা দিত। এতে কিছুদিন রাজার বাজার হাসপাতালে, রাজার বাজার জনাব মকবুল হোসেনের ঘরে ও শুকদেবপুর মক্তবঘরে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে আমুরোড এলাকার বাসিন্দারা পৃথক আরেকটি হাইস্কুল স্থাপনের চেষ্ঠা করলেন। কিছুদিনের মধ্যেই স্কুল দুইটি পর্যবেক্ষন করতে একজন অফিসার আসলেন। তার তদন্ত প্রতিবেদনে নিরপেক্ষতা না থাকায় আমাদের স্কুলের ম্যানেজম্যান্ট কমিটি এই প্রতিবেদনে নারাজী দিয়ে পুনঃতদন্তের আবেদন জানালেন। ফলতঃ কয়েক মাসের মধ্যেই একজন মহিলা অফিসার পূনঃতদন্তে আসলেন। তার তদন্ত রিপোর্টের ফল হিসেবে আমুরোড হাইস্কুলের নবম ও দশম শ্রেণী বন্ধ করে ঐ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে রাজার বাজার হাইস্কুলে ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। আমাদেরকে নবম ও দশম শ্রেণী চালিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়।

রাজার বাজার পাবলিক হাইস্কুলের প্রথম ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে যারা ছিলেন-

সভাপতি: জনাব ড. এম এ রশীদ, সাবেক উপাচার্য বুয়েট

সহ-সভাপতি: বাবু হিরণ কুমার দাশগুপ্ত (বুলু বাবু)

সাধারন সম্পাদক: জনাব আব্দুল লতিফ চৌধুরী

নির্বাহী সদস্যঃ সিরাজুল ইসলাম তালুকদার (সুরুজ মিয়া ডাক্তার), জনাব আবুল হাসিম, জনাব মোরশেদ আলী, বাবু শ্রীশ চন্দ্র দেব রায়, বাবু রাজেন্দ্র চন্দ্র দাস প্রমুখ।

ইতিহাসের খন্ডচিত্রের প্রয়োজনে উল্লেখ্য যে, রাজার বাজার সরকারি জুনিয়র স্কুলটি স্থানাভাবে দু’শিফটে ক্লাস হতো: এর মাঝে নতুন ভাবে; বেসরকারী ভাবে নবম শ্রেণী খোলায় স্থানের সমস্যা দেখা দেয়। এ দুর্যোগ মুহুর্তে এগিয়ে আসেন রাকী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ঘোষ পরিবার, ঘোষ পরিবার নিজ গ্রামে অভয়াচরণ এম,ই স্কুল নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করলে কয়েক বৎসর পর তা বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যালয়টির ঘরের টিন ও কাঠ ঘোষ বাড়ীতে রক্ষিত ছিল। তা তারা দান করে দেন রাজার বাজার পাবলিক হাইস্কুলকে। তখন ছন বাঁশের ঘরের দক্ষিনাংশে টিনের ঘর তোলা হলে সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ও একটি কক্ষে নবম শ্রেণীর ক্লাস চলতে থাকে। একবার বন্যা ও ঝড়ে টিনের ঘরটি বিনষ্ট হবার কারনে পাশের হাসপাতালের একটি কক্ষে এবং আরও পরে শুকদেবপুর পুকুর পারের একটি ঘরে নবম শ্রেণীর ক্লাস চলে। এখানে একটি নাম উল্লেখ করা প্রয়োজন তিনি হলেন রাজার বাজার পল্লী চিকিৎসালয়ের ডাক্তার বশিরুল হক তিনি বিহারী ডাক্তার হিসেবে পরিচিত। তিনি স্কুল প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

পরবর্তীতে রাজার বাজারের ধনাঢ্য ব্যক্তি শ্রীশ দেব রায় মহোদয় ভূমি দিলে সেখানে হাইস্কুলের জন্য পাকা ঘর নির্মান করা হয়। ভুমি দেন রাজেন্দ্র চন্দ্র দাস মহোদয়ও। সৎ কাজে শতেক বাধা। যখন একটি দুষ্ট চক্র রাজার বাজার হাইস্কুল প্রতিষ্ঠায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়, সেই দুঃসময়ে বাবু হিরন কুমার দাশ গুপ্ত ওরফে ভুলু বাবু দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে আসেন। তার চেষ্ঠায় স্কুল গৃহের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়। সেই ঐতিহাসিক ভিত্তি প্রস্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মহিবুল হাসান (পরে মন্ত্রি), হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজের অধ্যক্ষ খুরশেদ আলম ও হবিগঞ্জের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী আলম শেঠ। কিন্তু পরবর্তীতে নানা জটিলতার কারনে গৃহ নির্মান সম্ভব হয়নি।

একটি স্বার্থান্বেষী মহল সব সময়ই ভালো কাজের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। একটি চক্র রাজার বাজার হাইস্কুল যাতে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে না পারে সে জন্য নানা চক্রান্ত শুরু করে। আমার বাড়ীতে মাঝে মধ্যে বিদ্যালয় সংক্রান্ত নানা সমস্যা নিয়ে আমরা ছাত্ররা বসতাম এবং মতবিনিময় করতাম। এমনি একটি মতবিনিময় সভায় একটি চারদফা প্রস্তাব লিখিত আকারে পেশ করে কয়জন ছাত্র।

দফাগুলো হলোঃ ১. বন্যাপীড়িত এলাকা হেতু বছরের অধিকাংশ সময় স্কুলের কার্যক্রম বন্ধ থাকা।

২. শুধু নবম শ্রেনী দ্বারা পঙ্গুস্কুল প্রতিষ্ঠা করলে অদূর ভবিষ্যতে আয়ের অভাবে স্কুলের কাজ বন্ধ।

৩. জুনিয়র হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের কারসাজি।

৪. জনশিক্ষার প্রতি বাবু হিরন কুমার দাশ গুপ্তের চিরন্তন অবজ্ঞা।

এ চারদফা প্রস্তাব নিয়ে ছাত্রদের মাঝে দ্বিধা-বিভক্তি দেখা দেয়। কিছুদিন পরই দৃশ্যমান হয়ে উঠে ব্যপারটি। আমুরোড নতুন হাইস্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়। রাজার বাজার হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আকবর আলী খান আমুরোড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। আমুরোড এলাকার ছাত্ররা সেখানে আটকা পড়ে পরিস্থিতির শিকার হয়ে। কিন্তু সৌভাগ্যের বিষয় রাজার বাজার পাবলিক হাইস্কুল সরকারী অনুমোদন লাভ করলেও আমুরোড উচ্চ বিদ্যালয় অনুমোদন পায়নি। অগত্যা বাধ্য হয়ে আমুরোড ও বাগান এলাকার পূর্বের ছাত্ররা ফিরে আসে। ১৯৬৮ সালে আমরা প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে এস.এস. সি পরীক্ষায় উত্তীর্ন হই। সম্ভবত প্রথম ব্যাচে আমরা ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিলাম।

যখন রাজার বাজার হাইস্কুলটি প্রতিষ্ঠা হয় তখন এলাকার মানুষের তেমন অর্থ-বিত্ত ছিলনা। স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র দেবের উৎসাহ ও অনুপ্রেরনায় আমরা ছাত্ররা ধান কাটার উদ্যোগ নেই বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য। ধান কাটা অভিযানে শরীক হন তৎকালিন শিক্ষক সৈয়দ মোস্তফা কামাল ও মাওলানা শাহাবুদ্দিন আহমদ। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী আব্দুল লতিফ চৌধুরী সার্বক্ষনিক আমাদের পাশে ছিলেন। এ ঘটনাটি তৎকালীন সিলেট থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক যুগভেরী ও সমাচার পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং সর্ব মহলে ভূয়শী প্রশংসা লাভ করে।

রাজার বাজার এম.বি স্কুলের কৃতি ছাত্র দেশের বরণ্যে ব্যক্তিত্ব ড. এম. এ রশীদ সাহেব উক্ত পাবলিক হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব নিলে স্কুলের উন্নয়নে গতি লাভ করে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন হয়। তৎকালীন জাতীয় পরিষদ সদস্য জনাব লতিফুল হক চৌধুরী ওরফে মানিক চৌধুরী ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য জনাব এনামুল হক মোস্তফা শহীদ, তৎকালীন জনশিক্ষা পরিচালক আমাদের মাধবপুরের জনাব মতিউল বর চৌধুরী (এম, বি চৌধুরী) কে স্কুল পরিদর্শনে নিয়ে আসেন। এ মাহেন্দ্রক্ষনে আমিও রাজার বাজার হাইস্কুলে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার সুবাদে কিছু কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম। রাতারাতি হাতে লেখা মানপত্র তৈরি করা হলো। পাতা ফুল দিয়ে গেইট নির্মান করা হলো। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে জনাব এম.বি চৌধুরী স্কুলে পদার্পন করলেন। জনগনের দাবী ও এলাকার শিক্ষার প্রসারে নবম ও দশম শ্রেনীকে জুনিয়র হাইস্কুলের সাথে সংযুক্তি করে একটি পূর্নাঙ্গ হাইস্কুল করার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে তিনি বাস্তবায়ন করেন যার ফলশ্রুতিতে রাজার বাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিনত হয়। সনটি সম্ভবত ১৯৭৭হবে বলে আমার স্মৃতিতে ভাসছে।

কৈফিয়ত: অনেক শিক্ষক ও ছাত্রের নাম স্মৃতিতে না থাকায় উল্লেখ করতে পারলাম না বলে ক্ষমা প্রার্থী।

এছাড়া স্কুল প্রতিষ্ঠা কালীন অনেক বিদ্যুৎসাহী ব্যক্তি যারা ওতোপ্রোত ভাবে জড়িত ছিলেন তাদের নামও স্মৃতির পাতা থেকে মুছে যাওয়ায় অনুল্লেখিত রইলো বলে দুঃখিত।

লেখক: সুভাষ চন্দ্র দেব
সাবেক শিক্ষক, বিজ্ঞান গবেষক

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized By BreakingNews