1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
হ‌বিগঞ্জ মেডি‌কেল ক‌লে‌জে লিটন দাশের মরণোত্তর দেহ দান তারুণ্যকে ইতিবাচক কাজে লাগাতে খেলাধুলার বিকল্প নেই : জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবার উদ্বোধন মানুষের নীরব কান্নার পাশে দাঁড়ানো এক অদম্য জলযোদ্ধার গল্প: আসাদ ঠাকুর কলমের কালি বৃথা যায়নি জনদুর্ভোগের বিরুদ্ধে জনতার বিজয় রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে ইসলামী আন্দোলনের দ্বী-বার্ষিক অধিবেশন ১৬ সেপ্টম্বর  উলামা পরিষদের সীরাত ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের তালিকা  সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নসহ জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই: সাইফুল ইসলাম বাহুবলে দুই প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ-অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

সৌদি আরব থেকে হবিগঞ্জের যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ নিয়েও নিখোঁজ

Reporter Name
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

 

বাহুবল প্রতিনিধি  : সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আজিজিয়া এলাকা থেকে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার এক প্রবাসী যুবককে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করলেও ১৩ দিন ধরে তার কোনো সন্ধান মিলছে না। এ ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

নিখোঁজ যুবকের নাম মো. নবি হোসেন (২৩)। তিনি হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নের গকুলপুর গ্রামের মৃত হিলাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের আজিজিয়া এলাকায় বসবাস করতেন এবং চারমিনার মসজিদের সামনে একটি প্রতিষ্ঠানে ওয়্যারহাউস ওয়ার্কার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হলো ‘শারিকাতু সুরাইয়া উবাইদ আল-মুতাইরি লিল মুকাওয়ালাত’ (شركة ثريا عبيد المطيري للمقاولات)।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মে মাসের শেষ দিকে রিয়াদের হারাজ মার্কেট এলাকা থেকে একদল দুর্বৃত্ত নবি হোসেনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তার মুখ বাঁধা অবস্থার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর কিছু সময় পর ০১৮৫৭৬৪০০০০ নম্বর থেকে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ছেলের জীবন বাঁচাতে গত ৩ জুন অপহরণকারীদের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা মুক্তিপণের টাকা পাঠিয়ে দেন। তবে টাকা পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে অপহরণকারীদের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে নবি হোসেনের সঙ্গেও পরিবারের আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।

নবি হোসেনের বড় ভাই বলেন, “আমার ভাই আজিজিয়ায় থাকতো, চারমিনার মসজিদের সামনে কাজ করতো। হারাজ মার্কেট থেকে ওরে ধইরা নিছে। ৩ জুন ওদের কথামতো টাকা দিছি। কিন্তু এরপর থেইকা ওদের ফোন বন্ধ। ১৩ দিন ধইরা ভাইয়ের কোনো খোঁজ নাই। আমার ভাই বেঁচে আছে না মারা গেছে, তাও জানি না। আমরা সরকারের কাছে ভাইকে জীবিত ফেরত চাই।”

এদিকে, ঘটনার পর রিয়াদের আজিজিয়া ও হারাজ মার্কেটকেন্দ্রিক প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত নবি হোসেনকে উদ্ধারে বাংলাদেশ সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় আজিজিয়া ও হারাজ মার্কেট এলাকায় দ্রুত অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর এবং মুক্তিপণের অর্থ লেনদেনের সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তদন্তের আওতায় এনে জড়িতদের চিহ্নিত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

পরিবারের একমাত্র দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে নবি হোসেনকে জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews