1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন পবিত্র আশুরা হবিগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড পেলেন চুনারুঘাট চন্ডিছড়া বাগানের ৩৭৯ চা শ্রমিক সৌদি আরব থেকে হবিগঞ্জের যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ নিয়েও নিখোঁজ নবীগঞ্জ খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়ম, বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভবনে গোয়াল ঘর ও গরু লালন পালনের অভিযোগ বিশ্বকাপের আসরে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক সক্রিয় হলো বাহুবল হাসপাতালের ম্যানিফোল্ড অক্সিজেন সিস্টেম আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন জা সা স এর কমিটি অনুমোদন  আপনিও কি ‘জোনাকির আলো’ দেখা শেষ প্রজন্ম? বাহুবলে দুই দফা সংঘর্ষে নিহত ২, গ্রেপ্তার এড়াতে পুরুষশূন্য চার গ্রাম

সৌদি আরব থেকে হবিগঞ্জের যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ নিয়েও নিখোঁজ

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

 

বাহুবল প্রতিনিধি  : সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আজিজিয়া এলাকা থেকে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার এক প্রবাসী যুবককে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করলেও ১৩ দিন ধরে তার কোনো সন্ধান মিলছে না। এ ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

নিখোঁজ যুবকের নাম মো. নবি হোসেন (২৩)। তিনি হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নের গকুলপুর গ্রামের মৃত হিলাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের আজিজিয়া এলাকায় বসবাস করতেন এবং চারমিনার মসজিদের সামনে একটি প্রতিষ্ঠানে ওয়্যারহাউস ওয়ার্কার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হলো ‘শারিকাতু সুরাইয়া উবাইদ আল-মুতাইরি লিল মুকাওয়ালাত’ (شركة ثريا عبيد المطيري للمقاولات)।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মে মাসের শেষ দিকে রিয়াদের হারাজ মার্কেট এলাকা থেকে একদল দুর্বৃত্ত নবি হোসেনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তার মুখ বাঁধা অবস্থার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর কিছু সময় পর ০১৮৫৭৬৪০০০০ নম্বর থেকে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ছেলের জীবন বাঁচাতে গত ৩ জুন অপহরণকারীদের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা মুক্তিপণের টাকা পাঠিয়ে দেন। তবে টাকা পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে অপহরণকারীদের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে নবি হোসেনের সঙ্গেও পরিবারের আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।

নবি হোসেনের বড় ভাই বলেন, “আমার ভাই আজিজিয়ায় থাকতো, চারমিনার মসজিদের সামনে কাজ করতো। হারাজ মার্কেট থেকে ওরে ধইরা নিছে। ৩ জুন ওদের কথামতো টাকা দিছি। কিন্তু এরপর থেইকা ওদের ফোন বন্ধ। ১৩ দিন ধইরা ভাইয়ের কোনো খোঁজ নাই। আমার ভাই বেঁচে আছে না মারা গেছে, তাও জানি না। আমরা সরকারের কাছে ভাইকে জীবিত ফেরত চাই।”

এদিকে, ঘটনার পর রিয়াদের আজিজিয়া ও হারাজ মার্কেটকেন্দ্রিক প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত নবি হোসেনকে উদ্ধারে বাংলাদেশ সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় আজিজিয়া ও হারাজ মার্কেট এলাকায় দ্রুত অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর এবং মুক্তিপণের অর্থ লেনদেনের সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তদন্তের আওতায় এনে জড়িতদের চিহ্নিত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

পরিবারের একমাত্র দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে নবি হোসেনকে জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট