বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটে কোয়াব কমিটিতে সভাপতি শাহ নেওয়াজের সঙ্গী হলেন যারা বাহুবল মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করলেন মো. আলী আশরাফ হবিগঞ্জে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার নামে গোপন কক্ষে অশ্লীলতা: পুলিশের অভিযান বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন চুনারুঘাটের নাসির বাহুবলে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদন্ড আলোচিত শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা কে কুলাউড়ায় যোগদানের নির্দেশ মানুষের নিরাপত্তা ও উন্নয়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: এমপি ফয়সল  হাবিব খোকন এর রম্য কবিতা “তোমার শিল্প, আমার কলা” ৮ ধরনের পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি গঠনের নির্দেশ

শরীফপুর রাস্তার কাদায় জনদুর্ভোগ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

 

কালনেত্র: চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শরিফপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী সড়ককে কেন্দ্র করে চরম জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে, যেখানে কাদায় বন্দি হয়ে পড়েছে স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবন।

উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী ও বৃদ্ধ—সবাইকে এই একমাত্র সড়ক ব্যবহার করতে হয়, যা এখন ভাঙাচোরা ও বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। কোথাও ভাঙ্গা, কোথাও বড় গর্তে পানি জমে থাকায় বর্ষা মৌসুমে পুরো সড়ক কাদার সমুদ্রে পরিণত হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও সড়কের কোনো স্থায়ী উন্নয়ন হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে, ফলে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া এবং কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, ছোটবেলা থেকে তিনি এই রাস্তার একই অবস্থা দেখে বড় হয়েছেন এবং এখনো কোনো পরিবর্তন না আসায় তিনি হতাশ। স্থানীয়রা মনে করেন, উন্নয়ন কার্যক্রম আশপাশের এলাকায় হলেও শরীফপুর গ্রাম বারবার অবহেলিত থেকে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ব্যস্ততার কারণে পরে কথা বলবেন বলে জানান। পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মো. রেজাউল হক জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়কের অবস্থা সম্পর্কে জেনেছেন এবং এটি আইডিভুক্ত কিনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তালিকাভুক্ত থাকলে এলজিইডির মাধ্যমে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হবে, আর না থাকলে বিকল্প উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, স্থানীয়দের লিখিত আবেদন পেলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে টেকসই সড়ক নির্মাণ করা না হলে তাদের দৈনন্দিন ভোগান্তি আরও দীর্ঘায়িত হবে।

দ.ক.সিআর.২৬

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized By BreakingNews