1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী মেলা: শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ভাবনায় ভবিষ্যত প্রযুক্তির স্বপ্ন বাহুবলের পর্যটন উন্নয়নের প্রথম শর্ত: অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ আহম্মদাবাদের শুকদেবপুর সড়কে ইট সলিং কাজ শুরু অসহায় এক বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়াল হবিগঞ্জ ব্লাড ব্যাংক   আমাদের একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লব প্রয়োজন আহম্মদাবাদে ভূয়া ভিসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আহম্মদাবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থী সালেহ উদ্দিন বাবরু দোয়া চাইলেন চিকিৎসক নেই, মিডওয়াইফ দিয়েই চলছে রাজার বাজার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র বাগুনী পাড়া গ্রামের খুরশেদ আলী আর নেই, শত মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা সম্পন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত

নতুন স্কুল ড্রেসে চা বাগান শিশুদের মুখে হাসি

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

 

কালনেত্র প্রতিনিধি: চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ করেছেন হবিগঞ্জ-০৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এস. এম. ফয়সল মহোদয় -এর সুযোগ্য সন্তান ও সায়হাম নীট কম্পোজিট লিমিটেড-এর সম্মানিত এমডি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ।

নিজস্ব অর্থায়নে দেওয়া এই ড্রেস পেয়ে চা বাগান শ্রমিক পরিবারের শিক্ষার্থীদের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি। নতুন পোশাকে তারা এখন আরও উৎসাহ নিয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছে।

চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সলের ছেলে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ চা বাগান এলাকায় এসে শ্রমিকদের জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখেন। ২৮টি চা বাগানের শ্রমিকদের কঠিন বাস্তবতা ও দুঃখ-কষ্ট দেখে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত হন। তিনি উপলব্ধি করেন যে চা বাগানের মানুষের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা। শ্রমিক পরিবারের সন্তানদের শিক্ষিত ও কর্মমুখী করে তুলতে পারলে তারা সমাজের মূলধারায় ফিরে আসতে পারবে। সেই চিন্তা থেকেই তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে চা বাগানের শিশুদের জন্য বিভিন্ন সহায়তামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, চা বাগানের অধিকাংশ শিশুই নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে বড় হয়। তাদের পরিবারগুলো দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেই হিমশিম খায়। ফলে সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, স্কুল ড্রেস কিংবা পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। একটি শিশুর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সমাজের সবার নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, একটি স্কুল ড্রেস শুধু পোশাক নয়; এটি একটি শিশুর আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। যখন সব শিক্ষার্থী একই পোশাকে বিদ্যালয়ে আসে, তখন তাদের মধ্যে সমতা ও ঐক্যের অনুভূতি তৈরি হয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চা শ্রমিক পরিবারের সন্তানরা পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করবে এবং ভবিষ্যতে দক্ষ ও শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।

গতকাল মঙ্গল বার (১০ মার্চ) চা বাগান এলাকার শিশুদের শিক্ষায় উৎসাহিত ও তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতেই এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট