1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র মরম আলীর পাশে “আলোর অঙ্গীকার” প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উপকেন্দ্র করা যাবে না চুনারুঘাটে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ; বহিস্কার ছাত্রদল নেতা কামরুল সফল উদ্যোক্তা চুনারুঘাটের ইমরান: সোগান মন্ত্রী তেল রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশী মুদ্রা কাদাপানিতে বন্দিজীবন, চুনারুঘাটে চার গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই! হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান: ভুয়া চিকিৎসক আটক চুনারুঘাটে ইনডোর স্পোর্টসের নতুন যুগের সূচনায় ‘Gamezone Chunarughat’ দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-মাদ্রাসা খুলছে আজ তোমারে নো ভালা লাগছে আমার দুই নয়নে’ || শিল্প-সাহিত্য চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির চার পাঠ্যবই অনুমোদন

হবিগঞ্জে রাতের আঁধারে মাটি কাটার মহোৎসব: নিশ্চুপ প্রশাসন

Reporter Name
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদার বাজার ও সুঘর (রাফিয়াবাদ মৌজা) এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে অবৈধভাবে মাটি কাটার রমরমা ব্যবসা। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ফসলি জমি ও ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকার মাটি রাতের আঁধারে ভেকু মেশিন দিয়ে লুটে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে একদিকে যেমন আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। সিন্ডিকেটের কবজায় আবাদি জমি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ মাটি কাটার নেপথ্যে রয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আতর আলী হাজী, রজব আলী এবং কালাম। তাদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘ দিন ধরে সুঘর এলাকার নিচু জমিগুলো থেকে মাটি উত্তোলন করছে। সরেজমিনে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় ভেকু মেশিনের গর্জন, যা চলে ভোররাত পর্যন্ত। প্রতিদিন শত শত ড্রাম ট্রাকে করে এই মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্থানে।

আতঙ্কে মুখ খুলছেন না এলাকাবাসী। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুঘর এলাকার এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মিরপুর-হবিগঞ্জ মেইন রোডের পাশেই এই ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। বড় বড় ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তাঘাট ভেঙে কাদা হয়ে যাচ্ছে। অথচ তাদের দাপটে কেউ মুখ খুলতে পারে না। আইনের তোয়াক্কা নেই, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী, ফসলি জমি বা জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ মেইন রোডের পাশে এত বড় কর্মযজ্ঞ চললেও প্রশাসনের কোনো নজরদারি বা অভিযান না থাকায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবেশবিদ সাইফুল ইসলাম বলছেন, এভাবে মাটি কাটার ফলে কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই নষ্ট হচ্ছে না, সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। অবিলম্বে এই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি সহ এলাকাবাসী।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews