1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাহুবলে ঘাসের ওষুধ খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যু বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের লোকনাথ বাবার উৎসবে অংশগ্রহণ ও পরিদর্শন পানি সংকটে সাতছড়ির বন্যপ্রাণী, জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিলেন চীফ প্রসিকিউটর  চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধি তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি কাউসার গ্রেপ্তার নেপালের বন্যা: সীমান্তের ঊর্ধ্বে এক সংকট প্রতিবন্ধী তরুণী রুমি ধর্ষণ মামলার আসামী কাউসারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯ বৈধ কাজের পথে অবৈধ দাবির দেয়াল; ঘুষ নয়, অধিকার চাই- দালালি নয়, স্বচ্ছতা চাই চুনারুঘাট থেকে হার্ভার্ড, দীপ্তিতা দাশের অনন্য অর্জন  চুনারুঘাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন শুভ জন্মাষ্টমী আজ | কালনেত্র

সেতু নয়, এখন মরণফাঁদ! দুই বছর ধরে দুর্ভোগে সুরমা চা বাগানবাসী

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

 

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগান দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ চা বাগান হিসেবে পরিচিত। প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

নিম্নমানের নির্মাণকাজ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় সেতুটি নির্মাণের অল্প সময়ের মধ্যেই দুই পাশের সংযোগ মাটি ভেঙে যায়। ফলে গত দুই বছর ধরে প্রায় ১০ হাজার চা বাগান বাসিন্দা ও প্রতিদিনের ২ হাজার ৩ শতাধিক চা শ্রমিক চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।

প্রতিদিন শত শত শ্রমিক ও স্কুলশিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছড়া নদী পার হয়ে কর্মস্থল ও বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছেন। বাগানের ২০ নম্বর সেকশনের শ্রমিকরা জানিয়েছেন, ভাঙা এই সেতুটি এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়লে চলাচল একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে।

চা শ্রমিক নির্মলা দেবী বলেন, দুই বছর ধরে এই ভাঙা ব্রিজের কারণে আমরা প্রচণ্ড কষ্টে আছি। বৃষ্টি নামলে ছড়া পার হতে ভয় লাগে।

সুরমা চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক কমল সরকার জানান, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে আমরা উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডি দপ্তরে একাধিকবার লিখিতভাবে জানিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। শ্রমিকরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল নবী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সেতুটির বেহাল অবস্থা লক্ষ্য করেছি। এটি সংস্কারের জন্য নতুন বাজেট প্রয়োজন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কোটি টাকার এই প্রকল্পটি নির্মাণের পরপরই ধসে পড়লেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি অবহেলিত থাকায় বাগান এলাকার শ্রমিক ও বাসিন্দাদের পণ্য পরিবহন ও যাতায়াতে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews