সুকেশ চন্দ্র দেব: রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রকাশিতব্য স্মারক গ্রন্থে প্রতিষ্ঠানটির একজন প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষক হিসেবে স্মৃতিচারন করার তাগিদ এসেছে নিজ থেকেই। স্মৃতিচারন করা একটি কঠিন কাজ কেননা স্মৃতি বড়ই প্রতারক। নিকট ও সমকালীন ঘটনাগুলোও স্মৃতির অতল গহব্বরে তলিয়ে যায়। তারপরও স্মৃতির ছেঁড়া পাতাগুলো জোড়া দেবার চেষ্ঠা করছি।
আজকের এ বিদ্যালয়টি একদিন এমন ছিলনা। ইতিহাসের ছাত্র মাত্রই জানেন ব্রিটিশ শাসনামলে সিলেট বিভাগ আসামের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তৎকালীন আসাম সরকার শিক্ষার প্রসারে তিনটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে। বিদ্যালয় তিনটির অবস্থান ছিল তৎকালীন হবিগন্জ জেলার রাজার বাজারে, সিলেট জেলার কানাইঘাটে এবং হবিগনজ জেলার মাধবপুরের গোবিন্দপুরে। প্রথম বিদ্যালয় গুলোর নাম ছিল এম.বি স্কুল বা মধ্যবঙ্গ বিদ্যালয়। বিদ্যালয় গুলোর পড়াশুনার ব্যাপারে কিছু আলোকপাত করা প্রয়োজন। বিদ্যালয়ের ক্লাস প্যাটার্ন ছিল প্রথম মান থেকে ষষ্ঠমান। বিদ্যালয়ে ইংরেজী শিক্ষার বালাই ছিলনা, আজ যাকে প্রথমপত্র ও দ্বিতীয় পত্র বলি তখন এটাকে বলা হতো উচ্চমান এবং নিম্নমান। মাতৃভাষা বাংলা, অংক, ভূগোল, ইতিহাস শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেয়া হতো। প্রধান শিক্ষককে বলা হতো হেড পন্ডিত। নর্মাল পাশ করেই এখানে চাকুরী জুটতো। আমি ছিলাম এ বিদ্যালয়ের শেষ ছাত্র। আমার সহপাঠি ছিলেন গঙ্গানগরের সায়েদ, ছালাম ভূইয়া, মোহাম্মদ আলী, রাকি গ্রামের মন্নর আলী, স্নেহলতা দাস, সান্তনা, ভারতী, বেগম, অনেকের নাম মনে পড়ছে না। তবে আমরা সংখ্যায় পনেরোর অধিক ছিলাম না। শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন হেড পন্ডিত আব্দুস সাত্তার যিনি গাবরু মিয়া নামে পরিচিত। শিক্ষক হিসেবে ছিলেন আব্দুস সাত্তার কবি সাব, তফজ্জুল আলী, সমশের উদ্দিন প্রমুখ। বিদ্যালয় এর পাঠ সমাপান্তে যে পরিক্ষাটি হতো তার নাম ছিল “মধ্যবঙ্গ বিদ্যালয় লিভিং সার্টিফিকেট পরীক্ষা”।
আজ রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনতলা যে বিল্ডিংটি দাঁড়িয়ে আছে সেখানেই ছন-বাঁশের তৈরি সুন্দর ফুলের বাগান সমৃদ্ধ বিদ্যালয়টি ১৮৬৭ খ্রীষ্ঠাব্দে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। একজনের কথা এখানে উল্লেখ না করলে হয় না তিনি হলেন বিদ্যালয়ের দফতরী শ্রীনাথ দাস, আমরা তাকে শ্রীনাথ কাকা বলে ডাকতাম। শ্রীনাথ কাকার সরকারি পোষাক ছিল। তবে নিয়মিত পরিধান করতেন না। বিদ্যালয় পরিদর্শক আসলে তিনি পড়তেন ব্লু রং এর সেরওয়ানী, প্যান্ট ও মাথায় বাইশ হাত কাপড়ের সাদা পাগড়ি এবং হাতে বল্লম। উল্লেখ্য এখানে ইংরেজী শেখার ব্যবস্থা না থাকায় ষষ্ঠমান পাস করে হাইস্কুলে তৃতীয় অথবা চতুর্থ শ্রেনীতে ভর্তি হতে হতো। আমি এবং আমার সহপাঠিদের সৌভাগ্য আমরা যে বছর স্কুলের পাঠ সমাপন করি তখন মধ্যবঙ্গ বিদ্যালয়টি জুনিয়র হাইস্কুলে উন্নিত হয়। আমরা ষষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তি হই। প্রথমেই প্রধান শিক্ষক হিসেবে আসেন হবিগন্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মোহাম্মদ আলী। মনিরুল হক সাহেব তৃতীয় প্রধান শিক্ষক। তিনি দীর্ঘকাল প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। আজ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই তার ছাত্র। একবার ছন বাঁশের স্কুল ঘরটি ঝড়ে বিধ্বস্ত হলে আমরা গ্রামে বাঁশ সংগ্রহ করে বিদ্যালয় ঘরটি মেরামত করি। পরবর্তীতে এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও দেশের কৃতি সন্তান ড. এম. এ রশিদ এর ঐকান্তিক চেষ্ঠায় তিন তলার ইমারতটি নির্মিত হয়। আজ একটি সুন্দর মুহুর্তে তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একটি হাইস্কুলের অভাব অনুভব করেন। উদ্যোগী ব্যক্তিত্ব হিসেবে এগিয়ে আসেন প্রাইমারীর একজন শিক্ষক জনাব আব্দুল লতিফ চৌধুরী, যিনি পঞ্চায়েত সাব বলে সর্বত্র পরিচিত ছিলেন। তারই আহবানে ১৯৬৬ সনে বেশ কটি সভা হয়। সভায় শুধুমাত্র নবম ও দশম শ্রেণী সমন্বয়ে “রাজার বাজার পাবলিক হাইস্কুল” নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যপারে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। শুরু হয় বিদ্যালয় কার্যক্রম ও ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি। আমি তখন শায়েস্তাগন্জ হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র। জনাব আব্দুল লতিফ চৌধুরীর ডাকে এবং আমার পিতার নির্দেশে রাজার বাজার পাবলিক হাইস্কুলে এসে আবারো নবম শ্রেণীতে ভর্তি হই। সহপাঠি হিসেবে পাই মুজিবুর রহমান জলফু, আঃ মোনেম অলি, আঃ মোনিম চৌধুরী মানিক, হীরেন্দ্র পাল, শরবিন্দু দেব রায়, আব্দুজ জাহির, আঃ মালেক, আজিজুর রহমান কাপ্তান, আঃ হক, আঃ জাহির, নূরুন্নাহার, রাম দেও রাম কৈরী, সিরাজুল ইসলাম, সফিকুল হক আরজু সহ আরো অনেককে। শিক্ষক হিসেবে প্রথমে প্রধান শিক্ষক হয়ে আসেন শায়েস্তাগঞ্জ হাইস্কুলের শিক্ষক জনাব কফিল উদ্দিন। শিক্ষক হিসেবে সুনীল দাস (একডালা)। জ্যামিতির ক্লাস নিতেন আঃ রশিদ এর ছোট ভাই আঃ ছালেক (ছালু মিয়া)। রুটিনে বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে নাম ছিল এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বাবু হিরন কুমার দাশ গুপ্ত মহাশয়ের। সে সময়ে এখনকার মত বি.এ, এম.এ পাশ করা লোকের প্রাধান্য ছিলনা। স্কুল পরিদর্শক আসলে হবিগঞ্জ থেকে খন্ডকালিন শিক্ষকও আনা হতো। আমাদের ইংরেজীর ক্লাস নিতেন জুনিয়র হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব মনিরুল হক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব ছিদ্দিক আলী। আজ দু’জনই প্রয়াত তাই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। কিছুদিন পর যোগ দেন সুভাষ চন্দ্র দেব, রতিশ দেব, তাজুল ইসলাম, আঃ মন্নান, অনিল দেব সহ অনেকেই যাদের নাম স্মৃতিতে আসছে না। প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মক্ষেত্রে স্কুলের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখেন জনাব মোঃ আঃ আউয়াল। পরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে আসেন নিজাম উদ্দিন খান। উল্লেখ্য তৎকালীন ছাত্রলীগের তুখোর নেতা সৈয়দ মোস্তফা কামাল শিক্ষক হিসেবে যোগদেন এবং দীর্ঘকাল শিক্ষকতা করেন।
ইতিহাসের খন্ডচিত্রের প্রয়োজনে উল্লেখ্য যে, রাজার বাজার সরকারি জুনিয়র স্কুলটি স্থানাভাবে দু’শিফটে ক্লাস হতো: এর মাঝে নতুন ভাবে; বেসরকারী ভাবে নবম শ্রেণী খোলায় স্থানের সমস্যা দেখা দেয়। এ দুর্যোগ মুহুর্তে এগিয়ে আসেন রাকী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ঘোষ পরিবার, ঘোষ পরিবার নিজ গ্রামে অভয়াচরণ এম,ই স্কুল নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করলে কয়েক বৎসর পর তা বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যালয়টির ঘরের টিন ও কাঠ ঘোষ বাড়ীতে রক্ষিত ছিল। তা তারা দান করে দেন রাজার বাজার পাবলিক হাইস্কুলকে। তখন ছন বাঁশের ঘরের দক্ষিনাংশে টিনের ঘর তোলা হলে সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ও একটি কক্ষে নবম শ্রেণীর ক্লাস চলতে থাকে। একবার বন্যা ও ঝড়ে টিনের ঘরটি বিনষ্ট হবার কারনে পাশের হাসপাতালের একটি কক্ষে এবং আরও পরে শুকদেবপুর পুকুর পারের একটি ঘরে নবম শ্রেণীর ক্লাস চলে। এখানে একটি নাম উল্লেখ করা প্রয়োজন তিনি হলেন রাজার বাজার পল্লী চিকিৎসালয়ের ডাক্তার বশিরুল হক তিনি বিহারী ডাক্তার হিসেবে পরিচিত। তিনি স্কুল প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে রাজার বাজারের ধনাঢ্য ব্যক্তি শ্রীশ দেব রায় মহোদয় ভূমি দিলে সেখানে হাইস্কুলের জন্য পাকা ঘর নির্মান করা হয়। তুমি দেন রাজেন্দ্র চন্দ্র দাস মহোদয়ও। সৎ কাজে শতেক বাধা। যখন একটি দুষ্ট চক্র রাজার বাজার হাইস্কুল প্রতিষ্ঠায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়, সেই দুঃসময়ে বাবু হিরন কুমার দাশ গুপ্ত ওরফে ভুলু বাবু দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে আসেন। তার চেষ্ঠায় স্কুল গৃহের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়। সেই ঐতিহাসিক ভিত্তি প্রস্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মহিবুল হাসান (পরে মন্ত্রি), হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজের অধ্যক্ষ খুরশেদ আলম ও হবিগঞ্জের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী আলম শেঠ। কিন্তু পরবর্তীতে নানা জটিলতার কারনে গৃহ নির্মান সম্ভব হয়নি।
একটি স্বার্থান্বেষী মহল সব সময়ই ভালো কাজের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। একটি চক্র রাজার বাজার হাইস্কুল যাতে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে না পারে সে জন্য নানা চক্রান্ত শুরু করে। আমার বাড়ীতে মাঝে মধ্যে বিদ্যালয় সংক্রান্ত নানা সমস্যা নিয়ে আমরা ছাত্ররা বসতাম এবং মতবিনিময় করতাম। এমনি একটি মতবিনিময় সভায় একটি চারদফা প্রস্তাব লিখিত আকারে পেশ করে কয়জন ছাত্র। দফাগুলো হলোঃ ১. বন্যাপীড়িত এলাকা হেতু বছরের অধিকাংশ সময় স্কুলের কার্যক্রম বন্ধ থাকা। ২. শুধু নবম শ্রেনী দ্বারা পঙ্গুস্কুল প্রতিষ্ঠা করলে অদূর ভবিষ্যতে আয়ের অভাবে স্কুলের কাজ বন্ধ। ৩. জুনিয়র হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের কারসাজি। ৪. জনশিক্ষার প্রতি বাবু হিরন কুমার দাশ গুপ্তের চিরন্তন অবজ্ঞা। এ চারদফা
প্রস্তাব নিয়ে ছাত্রদের মাঝে দ্বিধা-বিভক্তি দেখা দেয়। কিছুদিন পরই দৃশ্যমান হয়ে উঠে ব্যপারটি। আমুরোড নতুন হাইস্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়। রাজার বাজার হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আকবর আলী খান আমুরোড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। আমুরোড এলাকার ছাত্ররা সেখানে আটকা পড়ে পরিস্থিতির শিকার হয়ে। কিন্তু সৌভাগ্যের বিষয় রাজার বাজার পাবলিক হাইস্কুল সরকারী অনুমোদন লাভ করলেও আমুরোড উচ্চ বিদ্যালয় অনুমোদন পায়নি। অগত্যা বাধ্য হয়ে আমুরোড ও বাগান এলাকার পূর্বের ছাত্ররা ফিরে আসে। ১৯৬৮ সালে আমরা প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে এস.এস. সি পরীক্ষায় উত্তীর্ন হই। সম্ভবত প্রথম ব্যাচে আমরা ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিলাম।
যখন রাজার বাজার হাইস্কুলটি প্রতিষ্ঠা হয় তখন এলাকার মানুষের তেমন অর্থ-বিত্ত ছিলনা। স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র দেবের উৎসাহ ও অনুপ্রেরনায় আমরা ছাত্ররা ধান কাটার উদ্যোগ নেই বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য। ধান কাটা অভিযানে শরীক হন তৎকালিন শিক্ষক সৈয়দ মোস্তফা কামাল ও মাওলানা শাহাবুদ্দিন আহমদ। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী আব্দুল লতিফ চৌধুরী সার্বক্ষনিক আমাদের পাশে ছিলেন। এ ঘটনাটি তৎকালীন সিলেট থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক যুগভেরী ও সমাচার পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং সর্ব মহলে ভূয়শী প্রশংসা লাভ করে।
রাজার বাজার এম.বি স্কুলের কৃতি ছাত্র দেশের বরণ্যে ব্যক্তিত্ব ড. এম. এ রশীদ সাহেব উক্ত পাবলিক হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব নিলে স্কুলের উন্নয়নে গতি লাভ করে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন হয়। তৎকালীন জাতীয় পরিষদ সদস্য জনাব লতিফুল হক চৌধুরী ওরফে মানিক চৌধুরী ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য জনাব এনামুল হক মোস্তফা শহীদ, তৎকালীন জনশিক্ষা পরিচালক আমাদের মাধবপুরের জনাব মতিউল বর চৌধুরী (এম, বি চৌধুরী) কে স্কুল পরিদর্শনে নিয়ে আসেন। এ মাহেন্দ্রক্ষনে আমিও রাজার বাজার হাইস্কুলে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার সুবাদে কিছু কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম। রাতারাতি হাতে লেখা মানপত্র তৈরি করা হলো। পাতা ফুল দিয়ে গেইট নির্মান করা হলো। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে জনাব এম.বি চৌধুরী স্কুলে পদার্পন করলেন। জনগনের দাবী ও এলাকার শিক্ষার প্রসারে নবম ও দশম শ্রেনীকে জুনিয়র হাইস্কুলের সাথে সংযুক্তি করে একটি পূর্নাঙ্গ হাইস্কুল করার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে তিনি বাস্তবায়ন করেন যার ফলশ্রুতিতে রাজার বাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিনত হয়। সনটি সম্ভবত ১৯৭৭হবে বলে আমার স্মৃতিতে ভাসছে।
লেখা: সুকেশ চন্দ্র দেব
দ.ক.২৬