1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড পেলেন চুনারুঘাট চন্ডিছড়া বাগানের ৩৭৯ চা শ্রমিক সৌদি আরব থেকে হবিগঞ্জের যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ নিয়েও নিখোঁজ নবীগঞ্জ খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়ম, বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভবনে গোয়াল ঘর ও গরু লালন পালনের অভিযোগ বিশ্বকাপের আসরে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক সক্রিয় হলো বাহুবল হাসপাতালের ম্যানিফোল্ড অক্সিজেন সিস্টেম আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন জা সা স এর কমিটি অনুমোদন  আপনিও কি ‘জোনাকির আলো’ দেখা শেষ প্রজন্ম? বাহুবলে দুই দফা সংঘর্ষে নিহত ২, গ্রেপ্তার এড়াতে পুরুষশূন্য চার গ্রাম চুনারুঘাটে অভিনব কায়দায় গাঁজা পাচারের সময় এক মাদক কারবারী আটক

নবীগঞ্জ খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়ম, বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

 

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: নবীগঞ্জে সরকারিভাবে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এখানে সরকারদলীয় নেতাকর্মী ও সমন্বয়কদের প্রভাব বিস্তারের কারণে সাধারণ কৃষকরা নিজে গিয়ে ধান দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে কৃষকদের কার্ড দিতে হচ্ছে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি সংশ্লিষ্ট একটি সিন্ডিকেটের সদস্যদের হাতে। সেই কার্ড দিয়েই নেতারা গুদামে ধান প্রবেশ করাচ্ছেন, আর বিনিময়ে কৃষকরা পাচ্ছেন নামমাত্র কিছু হাদিয়া। এসব কর্মকাণ্ডে গুদাম কর্মকর্তা নীল রতন রায়সহ কর্মচারীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে।

সূত্রে জানা যায়, সারা দেশের মতো নবীগঞ্জ উপজেলায় ১ হাজার ২৪০ টন ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ৬১৫ জন কৃষকের তালিকা অনুযায়ী ধান নেওয়ার নিয়ম থাকলেও বাস্তবে কৃষকরা ধান নিয়ে গুদামে গেলে সরকারদলীয় নেতাকর্মী ও সমন্বয়কদের ব্যারিকেডের মুখে পড়েন। তাদের ম্যানেজ করেই ধান দিতে হয়, নইলে সম্ভব হয় না।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির কয়েকজন সমন্বয়ককে নিয়ে ধান সংগ্রহ ঘিরে ১২ থেকে ১৪ জনের একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তারা গ্রামাঞ্চল থেকে কৃষি কার্ড সংগ্রহ করে দলীয় প্রভাব ও খাদ্য গুদাম কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে ইতিমধ্যে প্রায় ৩৪০ টন ধান গুদামে দিয়েছে। এ কাজে গুদাম কর্মচারী কাশেম মিয়া ও গুদাম সর্দার আব্বাছ মিয়ার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ধানের সর্বোচ্চ আদ্রতা ১৪ শতাংশ থাকার কথা থাকলেও ১৫, ১৬ ও ১৭ শতাংশ আদ্রতার ধানও সঠিকভাবে পরিমাপ না করে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

এ বিষয়ে গুদাম কর্মকর্তা নীল রতন রায় বলেন, সরকারের নিয়ম অনুসরণ করেই ধান নেওয়া হচ্ছে। কেউ কৃষি কার্ড নিয়ে এসে ধান দিলে এবং তিনি প্রকৃত কৃষক না হলে, বিল দেওয়ার সময় প্রকৃত কৃষকের হাতেই চেক দেওয়া হবে। পরে তিনি স্বীকার করেন, অকৃষি ব্যক্তিদের কাছ থেকে কৃষকের কার্ড দেখে ধান নেওয়া হয়েছে এবং এতে দলীয় প্রভাব রয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিদুর করিম মজিদ বলেন, দলীয় প্রভাব কাটিয়ে কেউ ধান সংগ্রহ অভিযানে বাধা সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কাজ বিএনপি বরদাশত করবে না।

কৃষক গিয়াস উদ্দিন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে জমির ধান নষ্ট হয়েছে এবং সরকারি কৃষি প্রণোদনা থেকেও তিনি বঞ্চিত হয়েছেন। যে কিছু ধান পেয়েছিলেন, বাজারদর কম থাকায় সরকারি গুদামে দিতে গিয়েও সুযোগ পাননি।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট