1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর উদ্বোধন জনবল সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে লাখাইয়ের চিকিৎসাসেবা  শেষে এসেও আলোচনার শীর্ষে এমপি ভ্রাতা সাইফুল; তফসিল ঘোষণা না হলেও জোরেশোরে বইছে আহম্মদাবাদে নির্বাচনী হাওয়া চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সিরাত মাহফিল ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা আগামীকাল  আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে নতুন চমক সংসদ সদস্য শাম্মী’র ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম গাজীপুর স্কুলের গভর্নিং বডির অভিভাবক প্রতিনিধি নোমান আহমেদ নির্বাচিত চুনারুঘাটে এক অসহায় বৃদ্ধা নারীর জমি দখলের পায়তারা করছে একটি ভূমিকেখো চক্র চুনারুঘাটে ইসলামী ছাত্রসেনার প্রতিনিধি সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত স্থবির আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি স্কুল শিক্ষার্থীদের

শায়েস্তাগঞ্জে আবারও সক্রিয় ট্রেনের টিকিট কালোবাজারী চক্র

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্র। দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত দামে টিকিট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ফলে যাত্রীদের মাঝে নতুন করে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

পূর্বের এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ টিকিটসহ গ্রেফতারের ঘটনার সঙ্গে সাম্প্রতিক তথ্য মিলিয়ে চক্রটির কার্যক্রম এখন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে র‌্যাব শায়েস্তাগঞ্জে অভিযান চালিয়ে সোহেলের দোকান থেকে বিভিন্ন ট্রেনের ৭শ’ এর বেশি টিকিটসহ তিনজন কালোবাজারিকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫শ’ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—সোহেল মিয়া (৩০), এনাম মিয়া (৩৪) ও জলিল মিয়া (৪০)। পরবর্তীতে তাদের হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সাম্প্রতিক তথ্যে উঠে এসেছে, শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের সামনে অবস্থিত দিদার মার্কেটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই এই চক্রটি সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, মার্কেটের ভেতরের একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকেই টিকিট সংগ্রহ ও কালোবাজারির মূল কার্যক্রম পরিচালিত হতো।

অভিযোগ রয়েছে, দোকানটি পরিচালনা করতেন সোহেল মিয়া ও তার বড় ভাই কাইয়ুম। তাদের মাধ্যমেই বিভিন্ন ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে চড়া দামে বিক্রি করা হতো। চক্রটি কৌশলে টিকিট সংকট তৈরি করে সাধারণ যাত্রীদের বাধ্য করত বেশি দামে টিকিট কিনতে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময় ও ছুটির মৌসুমে তাদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়, ফলে প্রকৃত যাত্রীদের জন্য টিকিট পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের দাবি, এই ধরনের কালোবাজারি প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করলে যাত্রীদের দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে সামনে পবিত্র কোরবানি ঈদ ঘনিয়ে আসায় ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে টিকিট কালোবাজারি যেন পুনরায় বিস্তার লাভ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে প্রশাসনকে এখন থেকেই কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

দ.ক.সিআর.২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews