
আসাদ ঠাকুর, অমনিবাস: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শুরু হয়ে গেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তোড়জোড়। আর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোতে চলছে নানা সমীকরণ ও বিশ্লেষণ। দলীয় ফোরাম এবং প্রকাশ্যে প্রার্থীরা আলোচনায় জড়াচ্ছেন।
অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না এলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে অনেকের। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলে ধরে বিভিন্ন পোস্ট ও মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে।
এদিকে চুনারুঘাট পৌরসভার মেয়র পদে দলীয় অবদান ও আনুগত্যের পাশাপাশি পৌরবাসীর মাঝে গ্রহণযোগ্যতা এবং মাঠের রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক উপজেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুল মান্নান রুমন।
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এই নেতার বিরুদ্ধে শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে অসংখ্য মামলা হয়েছে। তিনি চুনারুঘাট উপজেলা স্বেচ্চাসেবক দলের যুগ্ন আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতৃত্বের দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘদিন।
তাছাড়া বিগত পৌরসভা নির্বাচনে আব্দুল মান্নান রুমন দলীয় মনোনয়ন পেয়েও সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকদের পরামর্শে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন। তবু তিনি দলের নির্দেশনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছেন।
দলীয় সূত্রগুলো জানাচ্ছে, সম্প্রতি ত্যাগ স্বীকারকারী নেতাদের মূল্যায়ন করছে দল। এ বিষয়ে রুমন বলেন, ‘দল যাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে, তিনিই নির্বাচন করবেন। দল চাইলে আমি অংশগ্রহণ করব।’
চুনারুঘাট পৌরসভার অপর প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক দুইবারের মেয়র ও বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন সামছু। টানা দুইবার পৌরসভা নির্বাচনে দল তাকে প্রার্থী করেছিল। তার অনুসারীরা মনে করছেন, আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবারও ভালো ফল আনতে সক্ষম হবেন তিনি। কিন্তু দলের অভ্যান্তরে ভিন্ন রকম গুঞ্জনের কথা জানিয়েছে দলীয় সূত্র!
এ বিষয়ে আব্দুল মান্নান রুমন জানিয়েছেন, দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি নির্বাচন করবেন এবং পৌরবাসীর জন্য তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচনে রুমন ও সামছুর নামই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আলোচিত। তবে সবকিছু ছাপিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দল।
দ.ক.সিআর.২৬