
কালনেত্র প্রতিবেদক: রমজান মাসে ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে মানুষের দানশীলতা এবং সহযোগিতামূলক আচরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। রমজানকে ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ ‘সাওম’ বা রোজার পাশাপাশি আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং সামাজিক সমমর্মিতার মাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
চুনারুঘাট উপজেলার প্রবাসী বিল্লাল মিয়া বা এই ধরনের দানশীল ব্যক্তিদের কার্যক্রম রমজানকে ঘিরে প্রভাবিত হয় আরও বেশি। কেননা- রমজানে মানুষের মধ্যে দয়ালু এবং সহানুভূতিশীল আচরণ বৃদ্ধি পায়, যা সামাজিক ন্যায়বিচার ও সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে। এই সময়ে বিত্তবানরা অভাবী ও দুঃস্থ মানুষের সাহায্যে আরও বেশি হাত বাড়িয়ে দেন।
ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, রমজানে নফল ইবাদতের সওয়াব ফরজের সমান এবং ফরজের সওয়াব ৭০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। এই আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণা থেকে দান-সদকা ও সহযোগিতামূলক কাজের হার রমজান মাসে আরও বেড়ে যায়।
বিল্লাল মিয়া জানান, তার সামাজিক সমমর্মিতা হলো রোজা পালনের মাধ্যমে মানুষ ক্ষুধার কষ্ট অনুধাবন করতে পারে, যা তাকে গরিব-দুঃখী ও অসহায়দের প্রতি অর্থ এবং খাদ্য দিয়ে সহানুভূতি প্রদর্শনে উদ্বুদ্ধ করে।
আরও বলেন, দান ও সহযোগিতায় সম্পদে বরকত আসে এবং বিভিন্ন বিপদ-আপদ দূর হয়। তাছাড়া রমজানে বড় একটি সামাজিক কাজ হলো অভাবী মানুষদের ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা, যা ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করে।
তিনি জানান, তার এসব কাজের উদ্দেশ্য ভোগবাদ কমিয়ে নৈতিক ও সামাজিক শুদ্ধতা অর্জন করা। এবং পরকালিন শান্তির প্রত্যাশা। তাই রমজান আসলে গ্রামের বাড়ির মসজিদগুলো এসব আয়েজন এবারও অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ্
উল্লেখ্য যে, বাহরাইন প্রবাসী মোঃ বিল্লাল মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামের মানিক হাজী সাহেবের পুত্র। তিনি এলাকায় একজন ভালো মানুষ ও সমাজসেবক হিসাবে পরিচিত।
দ.ক.সিআর.২৬