1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর উদ্বোধন জনবল সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে লাখাইয়ের চিকিৎসাসেবা  শেষে এসেও আলোচনার শীর্ষে এমপি ভ্রাতা সাইফুল; তফসিল ঘোষণা না হলেও জোরেশোরে বইছে আহম্মদাবাদে নির্বাচনী হাওয়া চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সিরাত মাহফিল ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা আগামীকাল  আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে নতুন চমক সংসদ সদস্য শাম্মী’র ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম গাজীপুর স্কুলের গভর্নিং বডির অভিভাবক প্রতিনিধি নোমান আহমেদ নির্বাচিত চুনারুঘাটে এক অসহায় বৃদ্ধা নারীর জমি দখলের পায়তারা করছে একটি ভূমিকেখো চক্র চুনারুঘাটে ইসলামী ছাত্রসেনার প্রতিনিধি সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত স্থবির আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি স্কুল শিক্ষার্থীদের

বাহুবলে মাটি ও বালু সিন্ডিকেট ভাঙতে এসিল্যান্ডের  অভিযান 

Reporter Name
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

 

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় মাটি ও বালু খেকো সিন্ডিকেটকে দমন করতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কঠোর অভিযান শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। ফসলি জমি নষ্ট করা বা অবৈধভাবে মাটি বিক্রি করার অপরাধে দোষীদের সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাহবুবুল ইসলাম বলেন, “আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। তবে এই সিন্ডিকেট পুরোপুরি নির্মূল করতে হলে সাধারণ মানুষসহ স্থানীয় সামাজিক কাঠামোর সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। যারা লোভে পড়ে ফসলি জমি বিক্রি করছেন, তাদেরও দায়বদ্ধতা রয়েছে। মাটি ও পরিবেশের ক্ষতি রোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।”

তিনি আরও জানান, “আগে জরিমানা দেওয়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করা হতো। কিন্তু দেখা গেছে, এটি অপরাধীদের থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই এখন থেকে আর কোনো জরিমানা নয়, যারা ফসলি জমি নষ্ট করবে, তাদের সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে সাধারণ কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগে অনেকেই আমাদের জমির মাটি কেটে নিয়ে যেত লোভ দেখিয়ে। এখন প্রশাসন সরাসরি অভিযান চালাচ্ছে, এতে আমাদের মনে নিরাপত্তা এসেছে। আমাদের ফসলের ক্ষতি রোধ পেলে আগামীতে খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, মাটির উর্বরতা রক্ষা করা না হলে শুধু বর্তমান প্রজন্ম নয়, ভবিষ্যতের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে। তারা দাবি করেছেন, প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন, যাতে সিন্ডিকেট সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা যায়।

উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এসি-ল্যান্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে আজ জয়নাবাদ ও লামাতাসি ইউনিয়নের শিমুলিয়াম ও পুটিজুরি এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

প্রশাসন নিশ্চিত করেছে, কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম এ এলাকায় ছাড় পাবে না।

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews