
অনুমোদন ছাড়া বনভূমি ভিন্ন বা বনবহির্ভূত কাজে ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড গুণতে হবে। বনভূমির অবৈধ দখল ও ব্যবহার রোধে এমন কঠোর বিধান রেখে দেশে প্রথমবারের মতো ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য বিবরণীতে এ অধ্যাদেশ জারির কথা জানানো হয়েছে।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রাকৃতিক বন কোনোভাবেই বনবহির্ভূত কাজে ব্যবহার করা যাবে না। তবে অপরিহার্য জাতীয় প্রয়োজনে এবং বিকল্প না থাকলে মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে তা ব্যবহার করা যাবে। সে ক্ষেত্রে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ ও ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন নিশ্চিত করতে হবে। অনুমোদন ছাড়া বনভূমি ভিন্ন কাজে ব্যবহার করলেই ৩ লাখ টাকার দণ্ডের মুখে পড়তে হবে।
আইনে বৃক্ষ প্রজাতিকে দুটি তালিকায় ভাগ করা হয়েছে। প্রথম তালিকায় থাকা গাছ কোনোভাবেই কাটা যাবে না। এটি অমান্য করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা হবে। দ্বিতীয় তালিকার গাছ কাটতে বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার অনুমতি লাগবে। অনুমতি ছাড়া কাটলে জরিমানা হবে ৫০ হাজার টাকা।
এছাড়া বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য (যেমন- আগর) ছাড়া অন্য কোনো গাছে পেরেক বা ধাতব বস্তু দিয়ে ক্ষতিসাধন করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই বিধান অমান্য করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড হবে। আদালত চাইলে অপরাধীকে অতিরিক্ত শাস্তি হিসেবে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের আদেশও দিতে পারবে।
আইনে শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মালিকানাধীন এক একরের কম বনভূমি থাকলে জনস্বার্থে তা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া বন অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কর্তব্যও এতে সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।
দ.ক.সিআর.২৫