1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ট্রাক ভর্তি পাথরের নিচে লুকানো ভারতীয় জিরা জব্দ করেছে বিজিবি  মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরাই গণমাধ্যমের মূল শক্তি- সিরাজুল মনির হবিগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত দৈনিক বর্তমান বাংলার বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে গতরাতে সেনা অভিযানে গাঁজা-মদ বিক্রেতাদের আটক আয়েশা আহমেদের উপন্যাস ‘ভাঙা ঘরে চাঁদের আলো’র মোড়ক উন্মোচন ভোটাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়ার আন্দোলনের কথা স্মরণ করলেন আনিসুল  তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে বিএনপির প্রস্তুতি সভা  মাধবপুরে ৩২ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার পদক্ষেপ গণপাঠাগারের “আলোর পদক্ষেপ” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

তীব্র শীতে ঘড়িয়ালডাঙ্গার মাঠে জীবিকার লড়াইয়ে খেটে খাওয়া মানুষ

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

আব্দুল্লাহ আল নোমান, কুড়িগ্রাম :

উত্তরের জনপদ কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় বইছে হাড়কাঁপানো শীত। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকে আকাশ। সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি। দুপুর নাগাদও তাপমাত্রা থাকে প্রায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা মৌসুমের অন্যতম সর্বনিম্ন। ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের বুড়িরহাট এলাকায় জনজীবন একেবারে স্থবির হয়ে পড়েছে।

শীতের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, কৃষক, জেলে ও নিম্ন আয়ের মানুষ। জীবিকার প্রয়োজনে প্রতিদিনই কেউ নদী পার হয়ে মাঠে যাচ্ছেন, কেউ আবার কাঁপা শরীরে নদীর জলে নেমে মাছ ধরছেন। কুয়াশায় ভেজা শরীর নিয়েই তারা সারাদিন শ্রম দিচ্ছেন সংসারের দায়ে।

বুড়িরহাট এলাকার কৃষক সোনাউল্লা চাচা সকালে জমিতে গমের চারা পরিচর্যা করছিলেন। কথা হলে তিনি বলেন,
“ভোরে মাঠে নামলে হাত-পা জমে যায়, কিন্তু কাজ না করলে সংসার চলে না। শীতে জমিতে পানি জমে থাকে, কাদা পেরিয়ে কাজ করতে হয় — তবুও পেটের দায়ে নামতেই হয়।”

তার স্ত্রীও প্রতিদিন ভোরে কাজে যান। তিনি জানান,
“ভোরবেলা ঘর থেকে বের হলে কুয়াশায় কাপড় ভিজে যায়, কিন্তু ঘরে বসে থাকলে চুলায় ভাত চড়ে না। তাই কষ্ট হলেও মাঠে আসতে হয়।”

অন্যদিকে একই এলাকার জেলে আবু বক্কর ও লতিফকে দেখা গেছে নদীতে নৌকা বেয়ে মাছ ধরতে। তারা বলেন,
“নদীর পানি বরফের মতো ঠান্ডা, কিন্তু জাল না ফেললে সংসার চলে না। মাছ ধরা এখনই একমাত্র ভরসা।”

এদিকে সারাদিন সূর্যের দেখা না পাওয়ায় শীতের মাত্রা আরও বেড়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষজন জড়ো হচ্ছে চায়ের দোকানে, কেউ আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম রাখছে। শীতে শিশু ও বৃদ্ধদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখনো অনেক পরিবার কোনো সরকারি সহায়তা পায়নি। তারা দ্রুত শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন।
ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ বলছেন, “শীতটা এবার আগেভাগেই নেমে এসেছে। দিনভর কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে জীবন যেন থমকে আছে।”

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট