
পারভেজ হাসান, লাখাই : হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
২২ নভেম্বর শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনা ঘটে। পাগলা কুকুরটির আক্রমণের কারণে বামৈ, কাটিহারা, কালাউক বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
খবর অনুযায়ী, ওই পাগলা কুকুরটি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অসংখ্য মানুষকে উপর্যুপরিভাবে কামড়ে আহত করে। পরিস্থিতি এক ভয়াবহ রূপ নিলে স্থানীয় লোকজন সম্মিলিতভাবে কুকুরটিকে ধরার উদ্যোগ নেন। অবশেষে, বামৈ পশ্চিম গ্রাম এলাকায় ধাওয়া দিয়ে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলেন। এর ফলে এলাকাবাসী স্বস্তি ফিরে পায়।আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ সাইদুল ইসলাম শাকিল জানান, তাঁদের হাসপাতাল থেকে ৯ জন আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন, হাসপাতালে জলাতঙ্ক (Rabies) রোগের পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত ছিল এবং সকল আহতকেই এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
আহতরা হলেন বামৈ গ্রামের মৃত মাস্টার মিয়ার ছেলে নাজিল মিয়া (৫০), মহিনুল (৮), শম্ভু সরকারের ছেলে সাগর সরকার (২৩), কানন সরকারের স্ত্রী শেফালী সরকার (২২)। তামিম চৌধুরী (৭), হাবিবুর রহমান (৫৫), মারিয়া আক্তার (১৫), মাহিনুর (৮), মারজুল (৭)-
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্যান্য আহতদের তাৎক্ষণিক পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য মেহেদি হাসান সুমন (ব্যবসায়ী) জানান যে তার দোকান কর্মচারী কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন।
উবাইদুল ইসলাম টেনু (ভাদিকারা গ্রাম) বলেন, তাদের গ্রামের একজন কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। সোহান জানান যে তার ভাতিজা স্কুলে যাওয়ার সময় পাগলা কুকুরটির আক্রমণের শিকার হয়। অজিত চন্দ্র দেবনাথ (স্টোর কিপার) ও সুজিত চন্দ্র পাল (প্রধান সহকারী), লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তারা বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেটে তাদের উপরও কুকুরটি আক্রমণ করেছিল, তবে তারা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন।
দ.ক.সিআর.২৫