
সদ্য ঘোষিত ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এক গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করেছেন বিজ্ঞান বিভাগের কৃতী শিক্ষার্থী মনমোহিনি পাল। তিনি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এ বছর পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ফলাফল জিপিএ-৫ লাভ করেছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সারা দেশের ন্যায় একযোগে সিলেট বোর্ডেরও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। এবার সিলেট বোর্ডে সামগ্রিক পাসের হার ৫০.৯০ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী। এই তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং ফলাফলের মধ্যেও নিজের মেধা ও কঠোর অধ্যাবসায়ের স্বাক্ষর রেখেছেন মনমোহিনী পাল। তার এই অসাধারণ সাফল্যে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠী এবং তাঁর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী মনমোহিনী পালের পিতা কৃপেশ চন্দ্র পাল আমুরোড বাজারের শ্রাবনী বস্ত্রালয়ের স্বত্তাধিকী। মাতা দিলি রাণী পাল গোছাপাড়ার ঐতিহ্যবাহী পাল বাড়ির মেয়ে। চুনারুঘাট পৌরসভার বাসিন্দা। এছাড়াও মনমোহিনী চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের দশম শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী কৃত্তিকা পালের বড় বোন।
এর আগে মনমোহিনী পাল চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছিল।
মেধাবী মনমোহিনীর কৃতিত্বের প্রশংসা করে সিলেটর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষকেরা বলেন, তার মনোযোগ ও নিয়মিত পড়াশোনাই আজ তাকে এই গৌরবজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আনন্দিত মনমোহিনী পাল বলেন, “এই ফলাফলের পেছনে আমার কলেজের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ এবং বাবা-মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। আমি ভবিষ্যতে আরও ভালো পড়াশোনা করে দেশের সেবা করতে চাই।”
মনমোহিনী পালের এই চমৎকার সাফল্য অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিদেরা। তাঁর এই সাফল্যে শুভানুধ্যায়ীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যক্তিগতভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন এবং তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছেন।
দ.ক.আ-২৬