
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এই নভেম্বর মাসেই ২ লাখ ৫ হাজার স্কুলড্রেস বিতরণ করে আমাদের যাত্রা শুরু করবো প্রাথমিক স্কুলে। এ ছাড়াও সারা দেশে ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে ড্রেস বিতরণ করা হবে। সবার জন্য একটি ব্যাগও থাকবে। এই চিন্তাটি কি বিগত সরকার করেছিলো? করেনি।
মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
১৫০টি উপজেলায় মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু আপনারা দেখেছেন কীভাবে পঁচা ডিম, ছোট কলা দেয়া হচ্ছে। এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি।
তিনি বলেছেন পাইলট প্রজেক্ট করে দেখেন কেমন হয়। আমরা একটি কূপনের ব্যবস্থা করেছি। ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য বাজেট অ্যালোকেশন রয়েছে।
প্রধান শিক্ষক কূপন দেবেন, সেখানকার ম্যানেজমেন্ট কমিটি আছে, তাদের মাধ্যমে ইউএনওর কাছে কূপন যাবে। ইউএনও সাহেব বিল করে দেবেন। এই ব্যবস্থাটি আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু করবো।
বদলি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, একজন বললেন পাঁচজন শিক্ষক থাকলে ট্রান্সফার হবে না, আমাদের শিক্ষক থাকলে না আমরা আইন করতাম এক স্কুলে ছয়জন শিক্ষক দেয়া যেতে পারে। ইউ সি নাউ। তাহলে এরমধ্যে যদি ট্রান্সফার দিয়ে দিই, এমনিতেই নেই শিক্ষক- তাহলে কি স্কুল চলবে? তদবির সিস্টেম তো সব সময় রয়েছে। মিলনের কথা শোনার দরকার নেই। সবাই এসে বলে আমার মামাতো ভাই, আমার খালাতো ভাই- চলছেই তো। আপনারা বললেন ট্রান্সফার নেই। আমরা তো ট্রান্সফারের দায়িত্ব ডিসি সাহেবদের দিয়ে দিয়েছি। এক আসনে যদি দুইজন প্রার্থী থাকেন সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে লটারি করবেন তারা। আমরা তো এটা পলিটিকালাইজ করিনি।
দ.ক.২৬