
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় প্রিন্সিপাল মোখলেছুর রহমানকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও অভিযোগ উঠেছে। তার শিক্ষাগত ও প্রশাসনিক পদ-পদবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মোখলেছুর রহমানকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে একটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে কীভাবে তিনি ‘প্রিন্সিপাল’ পদবি ব্যবহার করছেন—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বা শিক্ষা বিভাগের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এছাড়া বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিও ও বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিতল উপহার দেওয়ার বিষয় এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে তার কথিত বক্তব্য নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।
অন্যদিকে, চুনারুঘাট উপজেলার আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের প্রয়াত মুফতি আব্দুল মোমিন ও প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম তরফদারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ভিডিওর উদ্দেশ্য ও আর্থিক লাভের বিষয়টিও স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে।
সম্প্রতি ঘুষ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরও তাকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই ভিডিওর সত্যতা, সময়কাল ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে—এমন তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে চুনারুঘাটের দুই সাংবাদিক আজিজুল হক নাসির ও মনির সরকার তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন বলে জানা গেছে।
সাংবাদিকদের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে মোখলেছুর রহমান ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং গালিগালাজ করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
দ.ক.২৬