1. live@kaalnetro.com : কালনেত্র : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালাউক বাজারে লাখাই পুলিশের প্রস্তুতি মহড়া শাহ আজম (রহ.) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সফাত আলী সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে-র ত্রান ও বস্ত্র বিতরণ ৫ আগস্ট হাই অ্যালার্ট: সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার চুনারুঘাটে ভিক্ষুকের মেয়েকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের অভিযোগ: মামলা করেও বিচার পাচ্ছেন না ধর্ষিতা এমপি ফয়সলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী বাজার নিয়ন্ত্রনে ভারত থেকে কাঁচা মরিচের প্রথম চালান বেনাপোল বন্দরে নাসিরনগরে চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজে বিনা বেতনে ১০ শিক্ষকের মানবেতর জীবনযাপন ২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলন: সহিংসতার কলঙ্কময় ইতিহাস; (১ম পর্ব ) ৪ আগস্ট ২০২৪: স্মৃতির পাতায় এক অস্থির দিন- মোঃ আমীর হোসেন সোহাগ

২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলন: সহিংসতার কলঙ্কময় ইতিহাস; (১ম পর্ব )

অজয় বিশ্বাস:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের অর্জন কি ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা পুরণ করতে পেরেছে? এই প্রশ্নটি এখন সমগ্র জাতির। কারণ এখনও সেই পূর্বের অবস্থা বিদ্যমান। কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতির ধরণ পাল্টেছে মাত্র। আগে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যায়িত করে নির্যাতন চালানো হতো। এটা প্রধানত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ অথবা যুবলীগের কর্মীদের ওপর চালানো হতো, হত্যা করা হতো ‘মব সন্ত্রাস’ করে। শুধু তাই নয় দেশের সাধারণ মানুষের ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা অর্জন করে ক্ষমতায় আসার পরেও বিএনপির ছাত্রদল, যুবদলের কর্মকর্তা কর্মীদেরকে ‘চাঁদাবাজ’ তকমা দিয়ে একইভাবে নৃশংস অত্যাচার ও খুন করা হচ্ছে। এই ‘মবসন্ত্রাস’ এর জন্ম ড. মুহাম্মদ ইউনুস সরকারের আমলে। এরপরও প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে বিদায় নেবার আগেই তিনি নিজে এক বছরের জন্য ভিভিআপিপির মর্যাদা পাওয়ার ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। এটা তার মতো একজন মানুষের জন্য অত্যন্ত দৃষ্টিকটু ও লজ্জাজনক। তবে তার চর্মচোখে লজ্জা কতটা আছে, যদিও এটা এখন গবেষণার বিষয়। তার নিজের লেখা জীবনীতে এধরণের এমন অনেক ঘটনা আছে, যেগুলো উল্লেখ করে তিনি তার অন্যরকম ব্যাখাা দিয়ে আত্মতৃপ্তি লাভ করেছেন এবং আসল সত্য আড়াল করার চেষ্টা করেছেন। যেমন ২০২৪ সালের আন্দোলনটি ছিল প্রধানত ছাত্রদের। তিনি ছিলেন একজন নেপথ্য কারিগর যাতে আন্দোলনের পর ক্ষমতার আসনে বসতে পারেন। এটাতো এখন আর গোপন কোন বিষয় নয়।

সরকারি চাকুরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলন শুরু হয়েছিল ছাত্রদের হাত ধরে ২০১৮ সালে। এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তার পরিসমাপ্তি ঘটে। কিন্তু যতই বলা হোক এই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে, কিন্তু চুড়ান্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়- আন্দোলন করেছে ছাত্র-জনতা, বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষ। কিন্তু তাদের আকাঙ্ক্ষা বা উদ্দেশ্য অর্জিত হয়নি, শুধু সরকারের পতন ছাড়া। আন্দোলনে ছাত্র ও সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়নি। বরং সেই সুযোগে নেপথ্যে কলকাঠি নেড়ে আন্দোলনকে বিপথগামী করা হয়েছে। আর দেশব্যাপী সহিংসতা ও নৈরাজ্য ছড়িয়ে দিয়ে একটা অবাঞ্চিত অস্থিরতা তৈরি করেছে তারাই যারা এতদিন লোকচক্ষুর অন্তরালে ঘাপটি মেরে বসেছিল।

আন্দোলনের সময় ছাত্রদের সাথে উগ্রবাদী ধর্মীয় গোষ্ঠী ও জঙ্গিরা অস্ত্র হাতে আন্দোলনকারীদেরই শুধু নয়, বিপুল সংখ্যক পুলিশকেও হত্যা করেছে, নৃশংসভাবে পুড়িয়ে মেরেছে। অগ্নিসন্ত্রাস ও মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রতিটি স্তরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদেরকে আওয়ামী লীগের দোসর তকমা দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। সবচেয়ে হৃদয় বিদারক ঘটনার জন্ম দিয়েছে জঙ্গি দৃস্কৃতকারীরা। আমরা জুলাইয়ের আন্দোলনকে শ্রদ্ধা করি। কারণ আমরাও এর অংশ ছিলাম। কিন্তু সহিংসতা বা জাতীয় সম্পদ ধ্বসের কারণে আমাদেরকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে। আন্দোলনকারীদের স্থান দখল করেছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ইসলামী ছাত্র শিবির ও জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগের ঔরসজাত কিছু ছাত্র নেতা, সমন্বয়ক বা পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা। তারা আন্দোলনের নামে দেশের কি ক্ষতি করেছে আজ তা ধীরে ধীরে সামনে আসছে। তবে আন্দোলনের একটি সবল দিক ছিল ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা। আন্দোলন একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্টা মানবাধিকার রক্ষা এবং সর্বস্তরের স্বৈরাচারী ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। এটা ছিল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে।

একটি কথা বলা প্রয়োজন। আন্দোলনের সবচেয়ে বড় দূর্বলতা ছিল নেতৃত্বে। আন্দোলনে কোনো উপযুক্ত নেতৃত্ব গড়ে ওঠেনি। এছাড়া আন্দোলনের বিভিন্ন স্তরে সহিংসতা আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তিকে নড়িয়ে দিয়েছে। যা একদিকে যেমন সরকারকে কঠোর পথ অবলম্বন করতে বাধ্য করে, তেমনি সেই সুযোগে শিবিরসহ জঙ্গিগোষ্ঠী প্রকাশ্যে আসার সুযোগ পায়। ফলে অবাধে দেশ জুড়ে চলতে থাকে সহিংসতা। অথচ এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল আমেরিকান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও দার্শনিক জিন শার্পের তত্ত্ব অনুযায়ী। এই তত্ত্বের মূল ভিত্তি হলো- ‘অহিংস উপায়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্রে উত্তরণ’। কিন্তু দেখা যায় এই আন্দোলনের পেছনে দেশি ও বিদেশি শক্তির হাত ছিল। যা আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার চারটি দেশে এধরণের আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন স্বৈর সরকারের পতন ঘটানো হয়েছে। দেশগুলো হলো, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও বাংলাদেশ। আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, এসব দেশগুলোর আন্দোলনের পেছনে ‘মার্কিন ডীপস্টেট’ এর প্রত্যক্ষ মদদ ছিল। সত্যগুলো এখন ধীরে সবার সামনে উন্মোচিত হচ্ছে। এই দাবা খেলার একটি গুটি ছিলেন ড. ইউনুস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক ও টকশোজীবী আসিফ নজরুল। দুজনেই এখন নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টায় সাফাই গাইছেন। ড. ইউনুস একজন সুবিধাদী ব্যবসায়ী। তিনি এটা তার জীবনীতেও স্বীকার করেছেন শৈশবের উদাহরণ দিয়ে। আর আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষক। এখন সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। শুধু তাই নয় তারা কৌশলে আন্দোলনকারীদের অর্জন ছিনতাই করে নিজেরা বেশি লাভবান হয়েছেন। যদিও এসব অভিযোগ তারা অস্বীকার করেন। অন্তর্বতী সরকারের ভেতর ড. ইউনুস, আসিফ নজরুল ও জামায়াতে ইসলামী প্রভাব বিস্তার করে রেখেছিল। কিছুদিন আগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া সংবাদ মাধ্যমে মুখ খুলেছিলেন। কিন্তু সব কথা খোলাখুলি বলেননি। তারপর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার সমন্বয়ক মাহফুজ আলম। তবে কেউ পস্কিারভাবে সত্য স্বীকার করেননি। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসসহ প্রায় সকল উপষ্টোর বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ দুদকে জমা পড়েছে। কিছু মামলার তদন্তও চলছে। সংস্কৃতি উপদেষ্টা তার দুস্কর্মের কারণে আগেই দেশ ছেড়েছেন। সাবেক অন্তবর্তী সরকারে আমলে বিচার বিভাগের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করা হয়েছে এবং মাত্র ১৭ মাসে ১৩১ টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, কিছু আইন সংশোধন করা হয়েছে। যা এই আন্দোলনের বিপরীত স্রোতে যায়।

আমেরিকান দার্শনিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জিন শার্প 198 Methods Nonvolent Action গ্রন্থে অহিংস আন্দোলনের জন্য মোট ১৯৮টি পদ্ধতি সম্পর্কে বলেছেন। যদিও তার এসব পদ্ধতি সম্পর্কে কিছুটা সমালোচনার অবকাশ আছে। কারণ তিনি আন্দোলনের অহিংস পদ্ধতির কথা বলেছেন। কিন্তু গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ সম্পর্কে কিছু বলেননি। এটা তাঁর সীমাবদ্ধতা। তবে অন্য কিছু দার্শনিক বিষয়টি সম্পর্কে ভেবেছেন এবং কিছু দিক নির্দেশনাও দিয়েছেন। এসব বিষয়ে যাবার আগে বাংলাদেশের আন্দোলন ও জিন শার্প প্রদত্ত পদ্ধতিগুলোর একটা তুলনামূলক আলোচনা করা যেতে পারে।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে যে আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে, তা রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জি শার্পের পদ্ধতি অনুসরণ করে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের অংশগ্রহণ আন্দোলনের গতিপথ বদলে দিয়েছে। কারণ মার্কিন রাস্ট্রবিজ্ঞানী জিন শার্পের ১৯৮ পদ্ধতি অনুসরণ করে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা ছিল প্রধান উদ্দেশ্য। কিন্তু এর আগে ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয়েছিল সরকারি চাকরির কোটা সংস্কার আন্দোলন। পরে ২০২৪ সালে চুড়ান্ত পর্যায়ে এটি সরকার পতনের আন্দোলন হয়ে ওঠে। কিন্তু আন্দোলনের প্রকৃতি ছিল জিন শার্পের অহিংস পদ্ধতি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি তার নৈতিকতা হারায়। ব্যাপক সহিংসতা, নৈরাজ্য, মব, সংখ্যালঘু নির্যাতন, সরকারি সম্পদ ধ্বংসের উৎসবে পরিণত হয়। এই সুযোগে নেপথ্য কুশিলব প্রকাশ্যে বেরিয়ে আসে। শুরু হয় ব্যাপক লুটপাট, হত্যা, মব ও নৈরাজ্য। ফলে তখন থেকেই দেশের সাধারণ মানুষের কাছে এই আন্দোলন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। আন্দোলনকারীরা প্রথমে নিজেকে ‘সমন্বয়কারী’ পরিচয় দিয়ে সুবিধাগ্রহণ শুরু করলে মানুষ প্রতিবাদ জানায়। পরে তারা নতুন নাম দেয় ‘জুলাই যোদ্ধা’। প্রশ্ন হলো ‘জুলাই যোদ্ধা’ তকমাটি কি যৌক্তিক? মোটেই না। আন্দোলনটি ছিল অহিংস। কাজে যুদ্ধের প্রসঙ্গটি আসতেই পারে না। এই নামে সব দুর্নীতিবাজরা এখনও সুবিধা গ্রহণ করছে। তাহলে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনকারীদের নাম হওয়া উচিত ছিল ‘ডিসেম্বর যোদ্ধা’। আন্দোলনে আহত ও নিহতদেরকেও একইভাবে ভাতা দেওয়া উচিত ছিল।

‘জুলাই যোদ্ধা’ তকমাধারীদের মধ্যে সবচেয়ে অশ্লীল বক্তব্য জনসমাবেশে উচ্চারণ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদী। তিনি নারীর বিশেষ অঙ্গ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন জন সমাবেশে। অন্য এক জায়গায় তিনি বলেছেন ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, কোট আনকোট, এর বিরুদ্ধেই আজকের এই আন্দোলন’। তাহলে এই আন্দোলন কি ছিল সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে? এটি ছিল জামায়াতে ইসলামীর ইস্যু। কিন্তু তারাও এখন মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করতে পারে না। তারপর একসময় হাদী আততায়ীর হাতে নিহত হন। কিন্তু ইউনুস সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধীর পাশে রাজকীয় মর্যাদায় হাদীকে কবর দেওয়া হয়েছে। কেন তাকে জাতীয় কবির সমান্তরালে নিয়ে আসা হলো? এই প্রশ্ন আজ দেশের সকল মানুষের মনে। তবে কি যারা তাকে হত্যা করেছে তারা মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরাতে এই কৌশল নিয়েছিল। তাহলে হাদীর হত্যাকারী কে? এখন আন্দোলনকারীরা জুলাই যোদ্ধা নামে নিজেদেরকে জাহির করছেন। আমরা জুলাইয়ের শহীদ ও আন্দোলনকারীদের সম্মান করি, তাদের আত্মত্যাগকে সালাম জানাই। কিন্তু তখনকার ক্ষমতাসীন সরকার একপেশে ভাবে আন্দোলন দমন করতে গিয়ে তাদের উপর গুলিবর্ষণ করে হত্যা করেছে। ছাত্ররা সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্রহাতে যুদ্ধ করেনি। যারা আন্দোলনকারীদের হত্য্য করেছে তারা অন্ত্রধারী ছিল। তাহলে আন্দোলনকারীদেরকে কেন যোদ্ধা বলা হচ্ছে? যদি আন্দোলনকারীরা অস্ত্রহাতে যুদ্ধ করে, তাহলেই কেবল তাদেরকে যোদ্ধা বলা যেতে পারে। নইলে নয়। এই কারণেই আন্দোলনের সমস্ত কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে প্রকৃত সত্য মানুষের সামনে আনা প্রয়োজন।

মূল কথা হচ্ছে, এই আন্দোলন ছিল শান্তিপূর্ণ এবং অহিংস। এরকম আন্দোলন দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কায়ও হয়েছে। এছাড়া আফ্রিকা ও আরবের কিছু দেশেও হয়েছে। কিন্তু এই পদ্ধতির সাথে সহিংসতা কোনোভাবেই মেলে না। এই পদ্ধতির আন্দোলনের বিস্তারিত আগামী পর্ব থেকে তুলে ধরা হবে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিষ্ট

দ.ক.সিআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
Theme Customized BY LatestNews