1. live@kaalnetro.com : Bertemu : কালনেত্র
  2. info@www.kaalnetro.com : দৈনিক কালনেত্র :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বাচ্চাদের সাথে মসজিদে ইফতারির সংষ্কৃতি ও ফজিলত  অসহায়ের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর ফজিলত ইউরোপ নেয়ার কথা বলে ১২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ; বাচ্চুর নামে মামলা ও সমন জারি  কর্মমূখী শিক্ষা ও দক্ষতার মাধ্যমে দারিদ্রতা দূর হবে- সৈয়দ ইশতিয়াক  আমরা চাই সবাই স্বনির্ভর হোক: এমপি পুত্র ইশতিয়াক  বড় পরিসরে সহায়তা বঞ্চিত আনু মিয়া, ছোট পরিসরে তৃপ্ত প্রতারণার শিকার অনলাইন ক্রেতা, প্রশ্নবিদ্ধ ডিজিটাল বাণিজ্   চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে রুমন আলোচনায় নব-নির্বাচিত হুইপ জি কে গউছকে খোয়াই থিয়েটারের ফুলেল শুভেচ্ছা নাসিরনগরে সুদের লেনদেনকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মহিলাসহ অর্ধশতাধিক আহত

দক্ষিণ সুরমায় সাংবাদিক-প্রশাসন ম্যানেজ করে চলছে মাদক ব্যবসা 

দৈনিক কালনেত্র
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

‎নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট নগরীর ২৫ নং ওয়ার্ডে প্রকাশ্যেই ইয়াবা ও গাঁজার বেচাকেনা এবং সেবন চললেও রহস্যজনক কারণে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ২৫ নং ওয়ার্ডের মুছারগাঁও বাইপাস রোড এবং মুছারগাঁও গউছ আলির বাসাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে ইয়াবা সেবন ও মাদক বিক্রি চলছে। মাদকসেবীদের অবাধ যাতায়াতে পুরো এলাকা এখন আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে।

‎স্থানীয়দের দাবি, কিছু নামধারী সাংবাদিক ও প্রশাসনের কতিপয় অসাধু সদস্যকে ‘ম্যানেজ’ করেই এই মাদক সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে নির্বিঘ্নে তাদের অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

‎ইতিপূর্বে প্রায় দুই মাস আগে দক্ষিণ খোজার খলা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে অভিযান চালিয়ে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। তবে অভিযানের খবর পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান অভিযুক্ত মাদক বিক্রেতা মাক্কু, রাছেল ও অপু।

‎স্থানীয়দের প্রশ্ন—জনগণ যেখানে নিজেরা অভিযান চালাতে বাধ্য হচ্ছে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা কোথায়?

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খোজারখলা এলাকার বাবলা মিয়ার পালিত পুত্র হলেন এই সিন্ডিকেটের প্রধান অভিযুক্ত রাছেল। রাছেলের বয়স যখন মাত্র দুই বছর, তখন তার মা বাবলা মিয়াকে বিয়ে করেন। বড় হওয়ার পর রাছেল নেশায় আসক্ত হয়ে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী বাবলা মিয়াকে একাধিকবার অভিযোগ জানান একপর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে বাবলা মিয়া তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

‎অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তৎকালীন কাউন্সিলর পিন্টুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে রাছেল বড় বড় টেন্ডার ও মাদক ব্যবসার টাকা তুলে দিতেন। পাশাপাশি কৌশলে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের পুলিশে ধরিয়ে দিয়ে নিজের অবস্থান পোক্ত করতেন।

‎এএছাড়াও  নৌকার পক্ষে মিছিল-মিটিং করা এই আওয়ামী ডেবিল রাছেল ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক খোলস পাল্টে নিজেকে বিএনপি কর্মী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

‎এলাকাবাসীর প্রশ্ন—প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবনের পরও কেন প্রশাসনের অভিযান নেই?
‎উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ মাদকের ঘটনায় কেন মূল অভিযুক্তরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে?
‎রাজনৈতিক পরিচয় বদলালেই কি একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পার পেয়ে যায়?

‎স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ ও কঠোর অভিযান, মাদক সিন্ডিকেটের গডফাদারদের গ্রেপ্তার এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

দ.ক.সিআর.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© 𝐰𝐰𝐰.𝐤𝐚𝐚𝐥𝐧𝐞𝐭𝐫𝐨.𝐜𝐨𝐦
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট